এবার সাবেক স্ত্রী তিন্নি ও নওশীন নিয়ে মুখ খুললেন হিল্লোল

0
545

ঘটনার সূত্রপাত সঙ্গিতশিল্পী মিলার নানা অভিযোগ দিয়ে। তিনি সাবেক স্বামী বৈমানিক পারভেজ সানজারির বিরুদ্ধে তাকে নির্যাতনসহ বিভিন্ন অভিযোগ সংবাদ সম্মেলন করেও তুলে ধরেন।

সেই সঙ্গে তার ডিভোর্সের পেছনে অভিনেত্রী নওশীনের সংশ্লিষ্টতাও তুলে ধরেন। নওশীন প্রসঙ্গে মিলা অভিযোগ করেন, আমার স্বামীর সঙ্গে নওশীনের সম্পর্ক ছিল।

তাদের ঘনিষ্ঠ ছবি হাতে পেয়ে নওশীনের স্বামী হিল্লোলকে জানানোর পরও কোনো সুরাহা হয়নি বলে অভিযোগে জানান মিলা।

এরপর এ অভিযোগে যুক্ত হন হিল্লোলের সাবেক স্ত্রী মডেল ও অভিনেত্রী শ্রাবস্তী দত্ত তিন্নি। তার সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়ে যাওয়ার পর নওশীনকে বিয়ে করেন হিল্লোল। বর্তমানে কানাডায় আছেন তিন্নি।

সেখান থেকে ইউটিউব চ্যানেল newsg24-কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আজ মিলার সংসারের নওশীন যেটা করলো ঠিক সেটাই আমার সংসার ভাঙার সময় করেছে। সে হিল্লোলকে সাপোর্ট দিতে গিয়ে আমার সংসার ভেঙে দেয়। পরে সে বিয়ে করে হিল্লোলকে।

এবার এসব ইস্যু নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন আদনান ফারুক হিল্লোল। তার অনুমতি নিয়ে পাঠকদের জন্য তা হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘সম্প্রতি অভিনেত্রী শ্রাবস্তী দত্ত তিন্নি একটি ইউটিউব চ্যানেলের ইন্টারভিউতে স্টেটমেন্ট দিয়েছেন, নওশীনের কারনে ওনার সাথে আমার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটেছিলো। যেটা আপাদমস্তক একটি ভুল তথ্য। যেটা নিজের দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দেবার একটা প্রয়াস।’

‘ওনার সাথে বনিবনা না হওয়ার কারনে ( কি কি ঘটেছিলো তৎকালিন আমাদের কলিগ এবং সাংবাদিক মহল কমবেশি সবই জানেন), ২০১১ সালের ২১শে আগষ্ট রাতে আমি আমার বাসা থেকে বের হয়ে যাই, যেটা সম্বন্ধে উত্তরা পশ্চিম থানার ২/১ জন কর্মকর্তাও অবগত ছিলেন এবং সেই বাসাতে পরবর্তিতে তিনি আরও মাস তিনেক একা অবস্থান করেছিলেন। এর পরে কোথায়ও ওনার সাথে আমার কখনও দেখাও হয়নি।’

‘পরবর্তিতে ২০১১ সালের শেষে ওনার সাথে আমার আনুষ্ঠানিক বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে এবং ২০১৩ সালের মার্চ মাসে নওশীনের সাথে আমার পারিবারিকভাবে বিয়ের আয়োজন ঘটে এবং সেই থেকে আমরা সুখে দুখে মিলেমিশে এক সাথেই আছি এবং আল্লাহ চাইলে একসাথেই থাকতে চাই।’

‘সম্প্রতি ডিজিটাল মিডিয়াতে উনি এবং ওনাদের মিথ্যাচার আমাদের পুরো পরিবারের জন্য ভীষন রকমের মানহানীর কারন ঘটছে। যেটা সাংঘাতিক রকমের একটা ক্রাইম।’

‘আমি কখনো চাইনি এই সমস্ত বিষয় ডিজিটাল মিডিয়ায় আলোচনা করতে, কারন আমার মেয়ে এখন বড় হচ্ছে, তার বয়স ১০ বছরের ওপরে, ধীরে ধীরে তার নিজের একটা ব্যক্তিত্ব তৈরি হচ্ছে। এই সমস্ত আলোচনা তার বাড়ন্ত বয়সে বিরুপ প্রভাব ফেলতে পারে, কিন্তু বাধ্য হয়ে আমাকে আজ এগুলো শেয়ার করতে হলো।’