সিরিয়ায় তুরস্ক-রাশিয়ার যৌথ টহল

উত্তর সিরিয়ায় মঙ্গলবার আরেকটি যৌথ টহল চালিয়েছে তুরস্ক ও রাশিয়া। এমন এক সময় এই টহল চালানো হয়েছে, যখন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান বলেছেন, তাদের পরিকল্পিত নিরাপদ অঞ্চলে এখনো সন্ত্রাসীরা অবস্থান করছে।

এক বিবৃতিতে তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ফোরাত নদীর পূর্বে আইন আল-আরবে (কোবানে) দ্বিতীয় এই যৌথ টহল শুরু হয়েছে।

গত ২২ অক্টোবর রাশিয়ার সোচিতে রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান ও ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে হওয়া চুক্তির অধীন কুর্দিশ পিপলস প্রটেকশন ইউনিটসের প্রত্যাহার নিশ্চিত করতে টহল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এর আগে গত শুক্রবার দুই দেশের মধ্যে প্রথম টহল হয়েছে।

আংকারায় এক দলীয় বৈঠকে তিনি বলেন, আমরা জানি পরিকল্পিত নিরাপদ অঞ্চলের মধ্যে এখনো সন্ত্রাসীরা রয়েছে। সেখানে সন্ত্রাসীদের সরে যেতে বাধ্য করেছি-এমন কথা বলে কেউ আমাদের বোকা বানাতে পারবে না।

সোচির চুক্তি অনুসারে ওই অঞ্চল থেকে সন্ত্রাসীদের তাড়াতে একটি যৌথ টহল আয়োজনে সম্মত হয়েছে রাশিয়া।

গেল সপ্তাহে তুর্কি সীমান্তের কাছে কুর্দিশ মিলিশিয়াদের পাশাপাশি টহল দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ ঘটনার সমালোচনা করেছেন এরদোগান।

তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যবশত, ওয়াইপিজি যোদ্ধাদের সঙ্গে নিজেদের টহল চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এমন ঘটনা অসম্ভব।

গেল অক্টোবরে তুরস্কের পিস স্প্রিং অভিযানের সময় সিরিয়ার রাস আল-আইন ও তাল আবিয়াদ থেকে সন্ত্রাসীদের অপসারণ করা হয়েছে।

সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফোরাত নদীর পূর্বে উত্তর সিরিয়া থেকে সন্ত্রাসীদের উৎখাত করেছে তুর্কি বাহিনী।

২০ লাখের বেশি শরণার্থীকে ফেরত পাঠানোর স্বার্থে একটি নিরাপদ অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করতে ওই অঞ্চলটি থেকে ওয়াইপিজি ও পিকেকে সন্ত্রাসীদের বিতাড়িত করতে চাচ্ছে তুরস্ক।

রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রয় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আচরণের সমালোচনা করেছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট।