এবার ১৪ জন আরোহীসহ বিমান উধাও!

0
70

এবার ১৪ জন আরোহীসহ- সোমবার সিরিয়ায় দিনের শেষ দিকে যখন ইসরাইলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চলছে, তখন ভূমধ্যসাগরের ওপর দিয়ে ১৪ আরোহীসহ একটি রুশ সামরিক বিমান রাডারের পর্দা থেকে অদৃশ্য হয়ে গেছে।

মঙ্গলবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সিরীয় উপকূল থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে ভূমধ্যসাগরের ওপরে রুশ বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

উপকূলীয় শহর লাতাকিয়ার স্থানীয় সময় সোমবার রাত প্রায় ১১টার দিকে বিমানটি নিখোঁজ হয়। হিমেইমিম বিমানবন্দরে ফেরার সময় এমন ঘটনা ঘটেছে। ঘাঁটির কাছাকাছি থাকা অবস্থায়ই বিমানটি নিখোঁজ হয়।

রুশ সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, বিমানটির আরোহীদের ভাগ্য এখনও জানা যায়নি। তবে অনুসন্ধান চলছে।

রাশিয়ার নিখোঁজ বিমানটি ইলেকট্রনিক নজরদারির জন্য ব্যবহৃত একটি আইএল-২০ টার্বো-প্রপ বিমান ছিল।

মস্কো থেকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিমানটি লাতাকিয়া প্রদেশে অবস্থিত রাশিয়ার হিমেইমিম বিমানঘাঁটিতে ফেরার সময় রাডারের দৃশ্যপট থেকে উধাও হয়ে যায়।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির বরাতে রাশিয়ার বার্তা সংস্থা তাস জানিয়েছে, বিমানটি তখন সিরিয়ার উপকূল থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে ভূমধ্যসাগরের ওপরে ছিল।

তাস জানায়, চারটি ইসরাইলি এফ-১৬ জঙ্গিবিমান লাতাকিয়াপ্রদেশে সিরিয়ার স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানোর সময় ফ্লাইট কন্ট্রোল রাডার থেকে আইএল-২০ বিমানটির চিহ্ন অদৃশ্য হয়ে যায়। একই সময় রাশিয়ার এয়ার কন্ট্রোল রাডার সিস্টেম ওই এলাকায় অবস্থানরত ফ্রান্সের ফ্রিগেট উভার্নিয়া থেকে ছোড়া রকেট শনাক্ত করে।

ওই সময় লাতাকিয়াতে শত্রু ক্ষেপণাস্ত্রের হামলা হলে সিরিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী তা প্রতিরোধ করার চেষ্টা করে বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, অসাবধানতাবশত সিরিয়ার বিমান বিধ্বংসী আর্টিলারি বাহিনীর গুলিতে রুশ বিমানটি ভূপাতিত হয়েছে বলে ধারণা ওয়াশিংটনের।

পরনের জামা-সেন্ডেল নিয়ে ছেলেকে খুঁজছেন বাবা-মা

পরনের টিশার্ট ও সেন্ডেল হাতে নিয়ে কান্নাকাটি করছে আর শীতলক্ষ্যা নদীতে পাগলের মত শিশু পুত্র হানিফকে (৬) খুঁজে বেড়াচ্ছে তার বাবা-মা। তাদের আর্তনাথে নদীর তীরের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।

মঙ্গলবার সকালে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় লক্ষনখোলা এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে নিখোঁজ শিশুর বাবা রিকশা চালক আলম মিয়া ও তার স্ত্রী গার্মেন্টকর্মী রেহানা বেগমের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে নদীতে নেমে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে তারা নদীর তীরেই হানিফের পরনের টিশার্ট ও পায়ের সেন্ডেল খুঁজে পান।

এর আগের সোমবার দুপুরে বন্দর উপজেলায় লক্ষনখোলা শীতলক্ষ্যা নদীতে গোসল করতে গিয়ে হানিফ নিখোঁজ হয়।

স্থানীয়রা জানান, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বন্দরের উত্তর লক্ষনখোলা এলাকায় শীতলক্ষ্যায় শিশু কিশোর যুবক বৃদ্ধসহ অনেকেই গোসল করে আবার অনেকেই খেলা করে। ধারণা করা হচ্ছে অন্যদের মত শিশু হানিফও পরনের জামা কাপড় ও সেন্ডেল তীরে রেখে নদীতে নেমে নিখোঁজ হয়।

নিখোঁজ হানিফের বাবা আলম মিয়া জানান, সোমবার দুপুর থেকে হানিফ নিখোঁজ। মঙ্গলবার সকালে তার পরনের টিশার্ট ও সেন্ডেল নদীর তীরে পাওয়া যায়। এলাকাবাসী নদীতে নেমে খোঁজাখুঁজি করছে। হানিফকে কোথায়ও খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। তবে তিনি সন্তান নিখোঁজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করেনি।