এত বছর পর্যন্ত জানতাম এই “হাট্টিমাটিমটিম” ছড়াটা ৪ লাইন ,কিন্তু আরও আছে ছড়াটি পড়ুন এক্ষুনি

“হাট্টিমাটিমটিম” ছড়াটা ৪ লাইন- আমাদের ছোটোবেলায় কোন ছড়া পড়তে খুব ভালো লাগত ।







ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন







আর তাই আমরা অনেক ছড়া খুব সহজে আমরা মুখস্ত করে নিতাম । আর তাঁর মধ্যে সবার একটি প্রিয় ছড়া হল হাট্টিমাটিমটিম ।

এই ছড়াটি সকলেই পড়েছে । এতবছর পর্যন্ত জানতাম এই ‘হাট্টিমাটিমটিম’ ছড়াটা ৪ লাইন। আসলে এটা রোকনুজ্জামান খানের ৫২ লাইনের অসম্ভব সুন্দর একটি ছড়া। আর এই ছড়াটি পুরোটা পড়ুন ,আপনার ভালো লাগবেই আর শেয়ার করুন …







ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন







‘ ‘টাট্টুকে আজ আনতে দিলাম,

বাজার থেকে শিম

মনের ভুলে আনল কিনে

মস্ত একটা ডিম।

বলল এটা ফ্রি পেয়েছে

নেয়নি কোনো দাম

ফুটলে বাঘের ছা বেরোবে

করবে ঘরের কাম।

সন্ধ্যা সকাল যখন দেখো

দিচ্ছে ডিমে তা

ডিম ফুটে আজ বের হয়েছে

লম্বা দুটো পা।

উল্টে দিয়ে পানির কলস

উল্টে দিয়ে হাড়ি

আজব দু’পা বেড়ায় ঘুরে

গাঁয়ের যত বাড়ি।

সপ্তা বাদে ডিমের থেকে

বের হল দুই হাত

কুপি জ্বালায় দিনের শেষে

যখন নামে রাত।

উঠোন ঝাড়ে বাসন মাজে

করে ঘরের কাম

দেখলে সবাই রেগে মরে

বলে এবার থাম।

চোখ না থাকায় এ দুর্গতি

ডিমের কি দোষ ভাই

উঠোন ঝেড়ে ময়লা ধুলায়

ঘর করে বোঝাই।

বাসন মেজে সামলে রাখে

ময়লা ফেলার ভাঁড়ে

কাণ্ড দেখে টাট্টু বারি

নিজের মাথায় মারে।

শিঙের দেখা মিলল ডিমে

মাস খানিকের মাঝে













কেমনতর ডিম তা নিয়ে

বসলো বিচার সাঁঝে।

গাঁয়ের মোড়ল পান চিবিয়ে

বলল বিচার শেষ

এই গাঁয়ে ডিম আর রবে না

তবেই হবে বেশ।

মনের দুখে ঘর ছেড়ে ডিম

চলল একা হেঁটে

গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে

ডিম গেলো হায় ফেটে

গাঁয়ের মানুষ একসাথে সব;

সবাই ভয়ে হিম

ডিম ফেটে যা বের হল

তা হাট্টিমাটিম টিম।

হাট্টিমাটিম টিম-

তারা মাঠে পারে ডিম

তাদের খাড়া দুটো শিং

তারা হাট্টিমাটিম টিম।’