‘রিয়াল ছেড়ে চলে যাওয়া মানে মরে যাওয়া’

কারও আসা মানে কারও চলে যাওয়া। প্রবেশ ও প্রস্থানের এই রীতি চিরন্তন। জুভেন্টাসে যেমন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো যাওয়ার পর গনজালো হিগুয়াইন চলে গেছেন এসি মিলানে। বেলজিয়ামের এক নম্বর গোলকিপার থিবাউ কুর্তোয়া তেমনি রিয়াল মাদ্রিদকে বেছে নেয়ার পর প্রশ্ন উঠেছে, তবে কী কেইলর নাভাসের প্রস্থান অনিবার্য? উত্তরটা দিয়েছেন কোস্টারিকার গোলরক্ষক নিজেই। ‘রিয়াল ছেড়ে চলে যাওয়া মানে মরে যাওয়া’, মন্তব্য নাভাসের।







২০১৪ সালে লেভান্তে থেকে ১০ মিলিয়ন ইউরো ট্রান্সফার ফি’তে রিয়ালে নাম লিখিয়েছিলেন নাভাস। সব মিলিয়ে ১৪১ ম্যাচ খেলেছেন সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর ক্লাবের হয়ে। তিনটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, একটি লা লিগা, চারটি ক্লাব বিশ্বকাপ, তিনটি ইউরোপিয়ান সুপার কাপ এবং একটি স্প্যানিশ সুপার কাপ জিতেছেন রিয়ালের সঙ্গে। রাশিয়া বিশ্বকাপের এক নম্বর গোলকিপার থিবাউ কুর্তোয়া চেলসির সঙ্গে সম্পর্ক চুকিয়ে রিয়ালে নাম লেখানোর পর নাভাসের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেছে। এই গোলপ্রহরী সাফ জানিয়ে দিলেন, রিয়ালের গোলপোস্টের নিচে নিজের জায়গা হারালেও বিচলিত নন তিনি। সান্তিয়াগো বার্নাব্যু ছেড়ে কোথাও যাচ্ছেন না। নিয়মিত খেলার সুযোগ না পেলেও রিয়াল ছাড়ছেন না নাভাস। তার কাছে ক্লাব ছেড়ে যাওয়া মানে মরে যাওয়া।







এদিকে বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় ক্রোয়েশীয় মিডফিল্ডার লুকা মডরিচের রিয়াল ছাড়ার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। সেরি-এ জায়ান্ট ইন্টার মিলান তার ব্যাপারে আগ্রহী বলে খবর বেরিয়েছে। এ খবরের পরিপ্রেক্ষিতে রিয়াল প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ মডরিচের দাম বাড়িয়ে ৭৫০ মিলিয়ন ইউরো নির্ধারণ করেন। যাতে এমন আকাশ ছোঁয়া ট্রান্সফার ফি দিয়ে তাকে কেউ কিনতে না পারে। তবুও গুঞ্জন থেমে নেই। তারই জেরে তারকা মিডফিল্ডার মডরিচের ভবিষ্যৎ প্রশ্নে তার প্রতিনিধি আজ রিয়াল কর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন।