সেরাদের প্রশংসায় ভাসছেন সাকিব

0
106

ওভাল থেকে কার্ডিফ হয়ে ব্রিস্টল, এরপর টন্টন। কোথায় হাসেনি সাকিবের ব্যাট? যেখানে যে দলের বিপক্ষেই ব্যাটিং করেছেন আলো ছড়িয়েছেন। বিস্ট্রলের ম্যাচটি বৃষ্টিতে ভেসে না গেলে কে জানে, সেখানেও হয়তো ঝলক দেখাতেন! যদিও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সেই ম্যাচটিতে খেলতে কী না জানা যায়নি এখনও।

কেনিংটন ওভালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৭৫ রানের ইনিংস খেলা এই টাইগার বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার একই ভেন্যুতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে করলেন ৬৪। তিনদিন পর কার্ডিফের সোফিয়া গার্ডেনসে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে করলেন বিশ্বকাপের প্রথম সেঞ্চুরি (১২১)। ১১ জুন ব্রিস্টলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচটি বৃষ্টিতে মাঠে গড়াল না। ৬ দিন বিরতিতে টন্টনে আবার সেঞ্চুরি! ৯৯ বলে অপরাজিত ১২৪ রান।

এমন ব্যাটিংয়ের পরে কী বলা যায়। নিশ্চয়ই পুরো ক্যারিয়ারের সেরা সময়টি তিনি কাটাচ্ছেন। হ্যাঁ, সত্যিই তাই। এটা তার নিজের কথা। যা তিনি সামনের ৪ ম্যাচেও অব্যাহত রাখতে চান।

সোমবার (১৭ জুন) সমারসেট কাউন্টি গ্রাউন্ডে উইন্ডিজদের ৭ উইকেটে উড়িয়ে দিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসে স্মিত মুখে সে কথাই জানালেন এই সুপারম্যান, ‘রানের কথা যদি চিন্তা করেন আমার তো মনে হয় এটা সেরা সময়। এর আগেও হয়তো কয়েকবার ভালো অবস্থানে ছিলাম। কিন্তু এটাও ঠিক না, যে ভালো অবস্থানে থাকলেই ভালো রান করব বা ভালো করব। অনেক সময় ভালো অবস্থানে থেকেও হয়তো অত ভালো রান করা সম্ভব হয় না। সবকিছু মিলে এখন ভালো অবস্থানে আছি। যেটা আমি ধরে রাখতে চাই।’

উইন্ডিজের দেওয়া ৩২২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নামা বাংলাদেশের ব্যাটিং স্টাইল এবং বডি ল্যাংগুয়েজ দেখে কখনোই মনে হয়নি তারা রানের ভারে নুয়ে পড়েছে। বরং সবার মধ্যেই দারুণ মানসিক শক্তি দেখা গেছে। যেন এতবড় রানও কোনো ব্যাপারই না।

আর এই মানসিকতায় তাদের জ্বালানি যুগিয়ে গেছে জেসন হোল্ডারদের শর্ট ও ফুল লেংথের পসরা। সাকিব জানালেন, ‘ওদের শর্ট ও ফুল লেংথের বল আমি খুবই ভালো করে দেখতে পাচ্ছিলাম। আসলে একটা ব্যাটসম্যান যখন ভালো খেলতে থাকে এটা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। যেটা আমার ক্ষেত্রে হচ্ছে। তো আমি চাই আমার প্রস্তুতিটা এমনই ভালো থাকুক।

প্রতি ম্যাচের আগে আমি প্রস্তুতি নিচ্ছি, এটা আমাকে সাহায্য করছে। তো আমি চাইব এটাকে ধরে রাখতে। যেহেতু এখন ব্যাটে খুব ভালো একটা অবস্থানে আছি, আমি চেষ্টা করব যেন সর্বোচ্চটা করতে পারি।’-সারা বাংলা।