ডিভিলিয়ার্স কাঁটা পেরিয়ে সিরিজ জিততে মরিয়া কোহলিরা

পঞ্চম একদিনের ম্যাচ আর ভারতের সিরিজ জয়ের মধ্যে কাঁটা একটাই। এ বি ডিভিলিয়ার্স। চোটের কারণে বেশ কিছুদিন দলের বাইরে ছিলেন। ফিরে ঠিক তেমন করে ব্যাটে-বলে হয়নি। অল্প রানেই ফিরে গিয়েছেন। কিন্তু গোটা বিশ্ববাসী জানে, ডিভিলিয়ার্স জ্বলে উঠলে কী হতে পারে! তাই ভারতের সিরিজ জয়ের পথে কাঁটা আপাতত একটাই। তা পেরিয়েই জয় ছিনিয়ে নিতে মরিয়া কোহলিবাহিনী। ডিভিলিয়ার্স কাঁটা পেরিয়ে সিরিজ জিততে মরিয়া কোহলিরা।

আগের ম্যাচ হেরে কোহলির স্বীকারোক্তি ছিল, ‘জেতার মতো খেলিনি’। নিজেদের ভুল মেনেই নিয়েছিলেন অধিনায়ক। ঠিক যেভাবে টেস্ট সিরিজের গোড়ায় বেসামাল হয়েছিলেন তাঁরা। সেদিনও ভুল স্বীকার করে নিয়েই পরের ম্যাচে মন দিয়েছিলেন। ফলও পেযেছিলেন হাতেনাতে। শেষ টেস্টে দুরন্ত জয় হাসিল হয়েছিল। একদিনের সিরিজে অবশ্য গোড়া থেকে দাপট কোহলি-ধাওয়ানদের। ছয় ম্যাচের সিরিজে এগিয়ে তাঁরাই। তবু আগের ম্যাচের হার থেকে শিক্ষা নিয়েই এই ম্যাচে ঝাঁপাতে চান তাঁরা। প্রত্যাশিতভাবেই এ ম্যাচে জ্বলে ওঠার সম্ভাবনা ডিভিলিয়ার্সের। তাই তাঁকে সামলানোর জন্যও বিশেষ গেমপ্ল্যান আছে দলের। চাহালের মতো দুরন্ত স্পিনারকেও ডিভিলিয়ার্স যেভাবে আক্রমণ করেছিলেন, তাতে প্রায় বিপর্যস্ত দেখাচ্ছিল তরুণ ভারতীয় বোলারকে। হার্দিক পাণ্ডিয়াকেও সে বার্তা দিয়েছেন। তরুণ এই খেলোয়াড়দের তুখড় পারফরম্যান্সই দলের অন্যতম শক্তি বলে মেনে নিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। সেই মিথ প্রত্যাবর্তনেই ভাঙতে চেয়েছিলেন মারকুটে এই দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার। পুরোপুরি সফল হননি। তবে হলে ভারতের পক্ষে ম্যাচ বের করা কঠিন চ্যালেঞ্জ হবে। প্রথম একাদশে ডিভিলিয়ার্স থাকা মানে দক্ষিণ আফ্রিকা ধারে ভারে অনেকটাই বেড়ে যাওয়া। সে কথা ভালই জানেন কোহলিরা। ঠিক এই কারণেই ডিভিলিয়ার্স কাঁটা মাথায় রেখেই এগোচ্ছেন তাঁরা। আর নিজেদের ভুল শুধরে নেওয়ার পালা তো আছে। সব মিলিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ম্যাচ জিতে যদি না সিরিজ পকেটে পোরেন বিরাটরা, তবে সেটাই হবে বিস্ময়ের।

এদিকে পোর্ট এলিজাবেথের আলোতে এসেছে নয়া বৈশিষ্ট্য। এ মাঠে ব্যবহার করা হযেছে এলইডি লাইট। যা হাতে গোনা বিশ্বের কয়েকটি মাঠেই আছে। ব্যাটসম্যানরা চার বা ছয় মারলেই এ আলোর নাচনে মেতে উঠবে গোটা ম্যাচ। তবে এই ম্যাচেই সে ধামাকা দেখা যাবে না।

Comments

comments