জমে উঠেছে কুমার তীরের নৌকার হাট

বর্ষার শেষে এসে পানি বাড়তে শুরু করায় ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় কুমার নদের তীরে জমে উঠেছে নৌকা বিক্রির হাট।







ভরা মৌসুমে জেলার বিভিন্ন গ্রামের মেঠো পথ, খাল-বিলগুলো এখন বর্ষার পানিতে কানায় কানায় ভরে উঠেছে। নিচু এলাকার মানুষের চলাফেরার ভরসা কেবল ডিঙি নৌকা। চাহিদা মেটাতে স্থানীয় নৌকার কারিগররাও দারুণ ব্যস্ত।







তাদের তৈরি নৌকা নিয়ে প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার ও সোমবার কুমার নদের তীরে বসছে নৌকা বিক্রির হাট। রেইনট্রি, কড়ই, উড়িআম, চম্বল কাঠ দিয়ে তৈরি বিভিন্ন ধরনের নৌকা নিয়ে সেই হাটে আসছেন বিক্রেতারা।

এসব নৌকা প্রকার ভেদে দুই হাজার থেকে সাত-আট হাজার টাকায় বিক্রি হয়। হাটের দিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে কেনাবেচা।







জেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা ক্রেতারা দেখে শুনে কিনে নিয়ে যান পছন্দের নৌকাটি। আর বিক্রি ভাল হওয়ায় কারিগরেরাও এবার খুশি।

নৌকার কারিগর সুবল কুমার বলেন, নৌকা তৈরি করতে তার দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা খরচ হয়। আর বিক্রি করেন ২৮০০ থেকে ৩৫০০ টাকায়।







কারিগর পরিতোষ বলেন, “পানি বাড়লে নৌকার চাহিদা বাড়ে । এই সময়টায় আমাদের ব্যবসাও ভাল হয়। “

ভাঙ্গা বাজারের ব্যবসায়ী আসাদ মুন্সী বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম বড় এ নৌকার হাটে বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ নৌকা কিনতে আসে। দুদিন হাট বসলেও শুক্রবারের হাট বেশি জমজমাট থাকে।







টেকেরহাট থেকে হাটে আসা জুয়েল মল্লিক বলেন, “এখন বর্ষাকাল। চারিদিকে বর্ষার পানি থৈ থৈ করছে। এখন নৌকা ছাড়া কোথাও যাওয়া যায় না। দেখছি, ঘুরছি; পছন্দ হলেই কিনব।”