কোরবানির মাংস ফ্রিজে রাখলেই কঠিন শাস্তি

কোরবানির মাংস কিনে পরে বিক্রির জন্য রেস্তোরাঁর ফ্রিজে সংরক্ষণ করলে সংশ্লিষ্ট মালিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেন।







গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কমিটির সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।







মো. ইলিয়াস হোসেন বলেন, অনেক গরিব লোক সারাদিন কোরবানির মাংস সংগ্রহ করে সন্ধ্যায় তা বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় বিক্রি করে দেন। রেস্তোরাঁর মালিক এসব মাংস দীর্ঘদিন ফ্রিজে সংরক্ষণ করে ভোক্তাদের পরিবেশন করেন।







এটি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এবার এসব করা যাবে না। ঈদের কয়েকদিনের মধ্যেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রেস্তোরাঁগুলোয় অভিযান চালানো হবে।







তিনি বলেন, যেখানে সেখানে পশুর হাট বসানো, পশুর কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের মাধ্যমে পশু মোটাতাজা করা বন্ধে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পশুর হাটকে কেন্দ্র করে যানজট নিয়ন্ত্রণ, জাল টাকা শনাক্তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হবে।







কোরবানিকে কেন্দ্র করে দ্রব্যমূল্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, কোরবানি ঈদে মসলার চাহিদা বেশি থাকে। মসলার বাজারে যাতে দাম ঊর্ধ্বমুখী না হয় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। বাজার মনিটরিং কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে।







সভায় বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. হাবিবুর রহমান, সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর আবিদা আজাদ, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি ছালামত আলী, চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, ক্যাবের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি এসএম নাজের হোসাইন প্রমুখ।