Thursday , 24 May 2018

আপনি কি জানেন কুকুরেরা প্রকাশ্যে যৌনক্রিয়া করে কেন ? তার পিছনে রয়েছে কিছু প্রাচীন রহস্য…

কুকুরেরা প্রকাশ্যে যৌনক্রিয়া- মহাভরতের দ্রোপদী একজন অদ্বিতীয় কিন্তু নিষ্ঠুর চরিত্র ছিলেন। তিনি জনপ্রিয় ছিলেন তার অসাধারণ পদক্ষেপ নেওয়াতে এবং নিঝের এক পরিচিতি গড়ে তোলার জন্য।







ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন







আমরা দেখেছি তার আনন্দ, কষ্ট, সহ্য এমন কি অভিশাপও। তার জীবনের অনেক উদাহারন আছে যা প্রমান করে তিনি একজন পুণ্য এবং নীতিবান ব্যাক্তি।

পুরাণের গল্পে এবং শাস্ত্রে একটি ঘটনা দেখানো হয়েছে যেখানে দ্রোপদী কোন একটি ভুল কাজের জন্য কুকুরদের অভিশাপ দিয়েছিলেন। আমি জানি আপনার মনে প্রশ্ন আসছে, এটা আমার সাথেও ঘটেছিলো।

কিন্তু, আমি যখন পুর ঘটনাটি পড়ি তখন আমার ইচ্ছা করে আরও কিছু তথ্য জানার জন্য। সুতরাং, আমি অনেক গবেষণা করেছি এবং এখানে অতিরিক্ত কিছু তথ্য এবং কালানুক্রমিক ঘটনা যেটা ঘটেছিল সেটা আমি তুলে ধরছি।

মুখে হাসি আনুন এবং পুরো গল্পটা পড়ুন। জানুন কেন এবং কিভাবে দ্রোপদী অভিশাপ দিয়েছিল কুকুরদের।

আপনারা প্রত্যেকেই জানেন দ্রোপদীকে।

তিনি একজন মহাকাব্যের চরিত্র, হিন্দু পুরাণ মহাভারতের। এটা বিশ্বাস করা হয় যে দ্রোপদী উদিত হয়েছেন আগুন থেকে এবং এটা বলা হয় যে তার কোন সাধারণ শৈশব ছিল না।

তিনি ছিলেন মা কালীর এক অবতার।

দক্ষিণ ভারতে এটা একটি সাধারণ বিশ্বাস যে দ্রোপদী মা কালীর এক অবতার ছিলেন, যিনি জন্মেছিলেন ভগবান কৃষ্ণকে সাহায্য করতে অহংকারী কৌরবদের ধ্বংস করতে।







ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন







মহাকাব্যের গল্প তার বিবাহ নিয়ে।

মহাভারতে বহুল কথিত একটি ঘটনা হল দ্রোপদীর বিবাহ। এটা বিশ্বাস করা হয় যে সমস্ত পঞ্চ পাণ্ডবই অংশগ্রহণ করেছিল তার স্বায়ম্বারে। স্বায়ম্বর এর নিয়ম আনুসারে যে সঠিক ভাবে মাছের চোখে (ছাদে ঝোলানো) লক্ষ্য করতে পারবে নিচে তার প্রতিবিম্ব দেখে, সেই তাকে বিবাহ করবে। অর্জুন একজন বিখ্যাত বীর হিসাবেই জয়ী হয়েছিলেন।

অর্জুন জেতার পর কুন্তি যা বলেছিলেন……

জেতার পর অর্জুন তার ভাইদের নিয়ে মা কুন্তির কাছে গেলেন। সমস্ত ঘটনা তাকে বলার আগে কুন্তি অর্জুনকে বললেন সে যা পেওেছে তা যেন নিঝের ভাইদের মধ্যে ভাগ করে নেয়। এইভাবেই দ্রোপদী পঞ্চ পাণ্ডবের পত্নী হলেন।

কুন্তির কথা ভাইরা পালন করলেন।

কুন্তির কথা যথাযথ পালন করল ভাইরা এবং তাঁরা দ্রোপদীকে গ্রহণ করল তাঁদের বিধিসংগত পত্নী হিসাবে।

বিবাহের পর দ্রোপদীর জীবন……

আমরা সবাই জানি যে একটা বিয়ে পরিচালনা করা কত টা শক্ত, কিন্তু দ্রোপদীর ৫ জনকে নিয়ন্ত্রণ করতে হতো। একাধিক শর্ত এবং দফা তিনি তৈরি করেছিলেন যা সাহায্য করত তাঁদের সকলের সাথে সুখে থাকতে। প্রধান শর্ত ছিল পাদুকা দ্রোপদীর ঘরের বাইরে রাখতে হবে যাতে এক সময় একজন স্বামী তার সাথে দেখা করতে পারে।













দেখুন এরপর কি ঘটেছিল…

যখন পাণ্ডবের মধ্যে একজন দ্রোপদীর সাথে দেখা করতে এলেন, তিনি তার পাদুকা তার ঘরের বাইরেী রাখলেন, কিন্তু একটি কুকুর খেলাচ্ছলে সেই পাদুকা নিয়ে জঙ্গলে পালিয়ে যায়।

ঠিক সেই সময় অন্য এক পাণ্ডব দ্রোপদীর সাথে দেখা করতে আসেন, তিনি ভাবলেন দ্রোপদী এখন একাই আছেন। যখন তিনি ঘরে প্রবেশ করেন তখন তিনি দেখতে পান যে দম্পতি অনুপযুক্ত অবস্থায় রয়েছে।

এই সময় দ্রোপদী সমস্ত কুকুর জাতিদের অভিশাপ দিলেন।

দ্রোপদী প্রচণ্ডভাবে লজ্জিত হলেন এটা দেখে যে তার অন্য পতি তাকে দেখছেন আর একজন পতির সাথে। তিনি খোঁজ করার চেষ্টা করলেন এবং পেলেন যে একটি কুকুর পাদুকা গুলি নিয়ে গেছে। তিনি







অগ্নিশর্মা হলেন এবং সমস্ত কুকুর জাতিকে অভিশাপ দিলেন যে সমস্ত পৃথিবী তাঁদের দেখবে তারা যখন যৌনক্রিয়া করবে এবং তাদের নিয়ে হাসি ঠাট্টাও করবে।