শিশুদের জন্য ফেসবুকের বিশেষ উদ্যোগ

ফেইসবুক অথবা ফেসবুক বিশ্ব-সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থার একটি ওয়েবসাইট, যা ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারি ৪ তারিখে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটিতে নিখরচায় সদস্য হওয়া যায়।

এর মালিক হলো ফেসবুক ইনক। ব্যবহারকারীগণ বন্ধু সংযোজন, বার্তা প্রেরণ এবং তাদের ব্যক্তিগত তথ্যাবলী হালনাগাদ ও আদান প্রদান করতে পারেন, সেই সাথে একজন ব্যবহারকারী শহর, কর্মস্থল, বিদ্যালয় এবং অঞ্চল-ভিক্তিক নেটওয়ার্কেও যুক্ত হতে পারেন।

শিক্ষাবর্ষের শুরুতে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যকার উত্তম জানাশোনাকে উপলক্ষ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক প্রদত্ত বইয়ের নাম থেকে এই ওয়েবসাইটটির নামকরণ করা হয়েছে।

শত কর্মব্যস্ততার মধ্যেও দিনে এক-দুবার ফেসবুকে ঢুঁ মারার চেষ্টা করে ব্যবহারকারী। বিশেষ করে উঠতি বয়সের ছেলেমেয়েদের মধ্যে আগ্রহটা যেন আরো বেশি। তবে ফেসবুকের নীতিমালা অনুযায়ী ১৩ বছর বয়স না হলে অ্যাকাউন্ট খোলা যায় না।

অবশ্য অনেকেই বয়স বাড়িয়ে কারসাজি করে খোলে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। তবে এখন সে সমস্যাও সমাধান হয়ে গেল। কেননা, এবার শিশুদের জন্যও সামাজিক যোগাযোগের এই মাধ্যমটি ব্যবহারের সুযোগ নিয়ে এসেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় সময় সোমবার শিশুদের ব্যবহারের জন্য সম্পূর্ণ আলাদা একটি মেসেঞ্জার বাজারে ছেড়েছে ফেসবুক। তবে আপাতত যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবহৃত অ্যাপলের আইফোনেই মিলবে এই সুবিধা।

ফেসবুকের প্রোডাক্ট ম্যানেজার লরেন চেংয়ের বরাত দিয়ে খালিজ টাইমস জানায়, শিশুদের মেসেঞ্জারে থাকছে চ্যাটিং ও ভিডিওকলের সুবিধা। ৬ থেকে ১২ বছর বয়সের শিশুরা ব্যবহার করতে পারবে মেসেঞ্জারটি। এ ক্ষেত্রে নজরদারি করতে পারবেন মা-বাবারা।

লরেন বলেন, ‘বাচ্চাদের জন্য একটি মেসেজিং অ্যাপের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, যা একদিকে তাদের প্রিয়জনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সহায়তা করবে, আবার মা-বাবার নিয়ন্ত্রণেও থাকবে।’

এক বিবৃতিতে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানায়, যুক্তরাষ্ট্রে ৬ থেকে ১২ বছর বয়সী ৯৩ শতাংশ শিশুর স্মার্টফোন অথবা ট্যাব ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। এদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ শিশুর নিজস্ব ফোন রয়েছে। ফলে তাঁরা ইচ্ছা করলেই ফেসবুকে প্রবেশ করতে পারে। কিন্তু এই বয়সে ফেসবুক তাদের জন্য নিরাপদ নাও হতে পারে।

ফেসবুক জানায়, শিশুদের জন্য মেসেঞ্জারটি টেকনোলজির ইতিবাচক, নিরাপদ, সঠিক দিকগুলো তুলে ধরবে।