মেজ সন্তান নাকি সবচেয়ে বুদ্ধিমান? জানুন বিজ্ঞান কি বলে

0
146

মেজ সন্তান- যে কোনো পরিবারের মেজ সন্তানকে যদি জিজ্ঞেস করা হয়, বাবা-মা কাকে বেশি স্নেহ করেন, তার উত্তর হবে বড় নয়তো ছোট জনকে। আর এর কারণ হলো পরিবারের মেজ সন্তানরা নিজেদেরকে অবহেলিত এবং একা মনে করেন।

কিন্তু ইউনিভার্সিটি অব এডিনবার্গের একটি অ্যানালাইসিস গ্রুপ এবং ইউনিভার্সিটি অব সিডনির সাম্প্রতিক একটি গবেষণা জানিয়েছে ভিন্ন কথা। ৫০০০ মানুষের উপর জরিপ চালিয়ে পাওয়া তথ্য মতে, মেজ সন্তানরা ব্যক্তিগত এবং কর্ম জীবনে বেশি সফলতা লাভ করেন।

মেজ সন্তানদের বেশি বুদ্ধিমান এবং সফল হওয়ার পেছনে অবশ্য বেশ কিছু কারণও আছে। বড় সন্তান অনেক বেশি মনোযোগ পায় বাবা-মায়ের। আর ছোট সন্তান পায় সহানুভূতি। এর মাঝে টিকে থাকতে হয় মেজ সন্তানের। তাই ছোট বেলা থেকেই তারা বেশি ধৈর্যশীল, সহনশীল ও ডিপ্লোম্যাটিক হয়।

টিমে মিলেমিশে কাজ করার বিষয়টি মেজ সন্তান অন্যদের চাইতে বেশ ভালো পারে। বড় সন্তানটি যখন জন্ম নেয়, তখন সব কিছুই তার একার থাকে।

কিন্তু মেজ সন্তানের ছোট বেলা থেকেই সব ভাগাভাগি করে নিতে হয়। এরপর ছোট সন্তানের জন্মের পরে তার সঙ্গেও নিজের সবকিছু শেয়ার করতে হয়। মিলেমিশে থাকার গুনটা তাই মেজ সন্তানের মাঝেই বেশি থাকে যা পরবর্তীতে কর্মক্ষেত্রে সফলতা নিয়ে আসে।

ইগো’র সমস্যা মেজ সন্তানের মাঝে কম থাকে। পরিবারের মেজ সন্তান হওয়ার কারণে খুব বেশি মনোযোগ পাননা তারা। আর তাই অহেতুক ইগো বা অভিমান করার সমস্যাগুলো কাটিয়ে নিতে পারেন মেজ সন্তানরা। অল্পেই সন্তুষ্ট হওয়ার মানসিকতার কারণে ব্যক্তিগত জীবনেও মেজ সন্তানরা সফল।

বন্ধু হিসেবেও মেজ সন্তানরা দারুণ। পরিবারে মনোযোগ না পেয়ে বাইরের জগতের প্রতি বেশি আকর্ষণ থাকে তাদের। সাধারণত তারা বাইরে খুবই বন্ধুবৎসল হয়।

ঘরের বাইরেই আনন্দ খুঁজে নিতে পারে তারা। ফলে তাদের অনেক ভালো বন্ধু থাকে এবং নিজেরাও বন্ধু হিসেবে খুবই ভালো হয়। টাইমস অব ইন্ডিয়া।

‘কাট পিছ’ ছবির জন্য পপিকেই পারফেক্ট মনে হয়েছে: বুলবুল বিশ্বাস

সম্প্রতি সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে গেছে একটি সিনেমার পোস্টার। ‘রাজনীতি’ খ্যাত নির্মাতা বুলবুল বিশ্বাস পরিচালিত ছবির নাম ‘কাট পিছ’। ছবিতে আবেদনময়ী রূপে হাজির এক সময়ের সাড়া জাগানো অভিনেত্রী পপি। এরবেশি কিছু পোস্টার দেখে আন্দাজ করা যায়নি।

‘কাট পিছ’-এর পোস্টার রিলিজ করেতো আলোড়ন ফেলে দিলেন। পরবর্তী প্ল্যান কী?

‘কাট পিছ’-এর গল্পতো আমি বহুদিন ধরে নিজের মধ্যে ধারন করছি। গল্পটা ভাবনার সময়ই পোস্টার আইডিয়াটা মাথায় চলে আসে। এটা আমার ফাইনাল পোস্টারই করার কথা ছিলো। ইদানিংতো লুক টেস্টের পর ফার্স্ট লুক এরকম ট্রেন্ড চলছে।

কিন্তু আমার ছবির পোস্টারটা হঠাৎ প্ল্যানিংয়ে। পপি আপার জন্মদিনকে কেন্দ্র করে মনে হলো এমন বিশেষ দিনে তার ভক্ত অনুরাগীদের একটা চমক দেয়া যাক। সেই চিন্তা থেকেই ফটোশুট করে খুব কম সময়ে পোস্টার ডিজাইন করে রিলিজ দেয়া। উনি ছাড়া ‘কাট পিছ’-এর জন্য আর কোনো আর্টিস্ট কিন্তু এখনো ফাইনাল হয়নি।

‘কাট পিছ’ নাম মানেতো আপনি বাংলা চলচ্চিত্রের অশ্লীল সময়টা ইঙ্গিত করছেন। পোস্টারে পপিকে যেভাবে রিপ্রেজেন্ট করলেন, সেখানেও বেশ মোটা দাগে ইঙ্গিত অশ্লীল যুগটাকেই দিলেন। তো এরকম হবে নাতো যে, অশ্লীলতার যুগকে আপনার গল্পে দেখাতে গিয়ে ‘কাট পিছ’ সিনেমাটাও অশ্লীলতার দোষে দুষ্ট হয়ে পড়লো?

না, বিষয়টা এরকম কিছুই হবে না। কারণ আমিও চাইবো পরিবার নিয়ে ‘কাট পিছ’ ছবিটি দেখতে মানুষ সিনেমা হলে যাক। আর এটাতো থিমেটিক একটি পোস্টার।

অনেকেই আমাকে প্রশ্ন করেছেন, ‘কাট পিছ’ জিনিষটা কী! আসলে ‘কাট পিছ’ একটা সময়কে ইন্ডিকেট করে। আরো খোলাসা করলে বাংলা চলচ্চিত্রের শুন্য দশকের শুরুটাই ছিলো কাট পিছের যুগ। সে সময়কে বেইজ করে আমি একটা গল্প তৈরি করেছি। যা সিনেমায় দেখাতে চাই। তার মানে এই না যে আমার সিনেমাটিও অশ্লীল হবে!

কিন্তু আপনার ‘কাট পিছ’-এর পোস্টারতো যথেষ্ট বোল্ড?

বর্তমান সময়েও কিন্তু আমরা এরচেয়ে খোলামেলা পোস্টার রাস্তায় দেখি। সেটা কথা না। আমি আসলে পোস্টারে অশ্লীল সময়ের একটা এক্সপ্রেসন রাখার চেষ্টা করেছি। আমার কাছে সেই সময়ের প্রচুর পোস্টার, সিনেমা কালেক্ট করা আছে।

সেই সময়ে কিন্তু আমার পোস্টারে যা আছে তারচেয়ে বেশি গুণে ভয়ানক ছিলো। সেইসব জায়গা থেকে শালীনতার জায়গা একটু ঠিক রেখে একটু নান্দনিক ভাবে ‘কাট পিছ’-এর পোস্টারটি করা। যেন মানুষ সেই সময়ের একসেন্টটা পায়।

অশ্লীল যুগের পোস্টারগুলোতে নায়িকাদের উপর ব্ল্যাক শেইপ দেয়া হতো। ‘কাট পিছ’-এও এমনটা দেখা গেলো। যার উপরে লেখা ‘সেন্সরড’! এটা কি স্যাটায়ারের জায়গা থেকে করলেন?

অ্যাডজেক্টলি। আমি যখন পোস্টারের জন্য পপির শুট করছিলাম, তখনো সেই সময়ের এমন কিছু পোস্টার সবাইকে দেখিয়েছি যেগুলোতে কালো রঙ লাগিয়ে দেয়া হতো। আমারও প্রথম মনে হয়েছে পোস্টারে সে রকম কালো রঙ লাগিয়ে দিবো।

কিন্তু পরে মনে হলো সেই সময়টায় সেন্সর বোর্ডওতো নিরব ভূমিকা পালন করেছে। তারা অনুমতি দিলেইতো সিনেমা হলে তা প্রদর্শনী হয়েছে। আসলে আমি সিনেমায় সেই সময়টার ডিটেইল তুলে ধরতে চাই।

এর আগে আমার প্রথম ছবি ‘রাজনীতি’তেও কিন্তু বাংলাদেশের রাজনীতিকে সচেতন ভাবে তুলে ধরেছি। কোনো ধরনের স্যাটায়ারের আশ্রয় না নিয়ে। বা কোনো পক্ষকে উস্কানি না দিয়েই কিন্তু আমি রাজনীতিতে আমাদের দেশের অবস্থা তুলে ধরেছি।

অশ্লীলতার যুগতো বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে একটা ক্ষত। এটাকে আবার সামনে আনছেন, কোন দর্শনে?

দেখুন, আমি বড় পরিবারে বেড়ে উঠেছি। যৌথ পরিবারে। আমাদের বাড়িতে দুপুরের খাবারের পর বাংলা সিনেমার শো হতো। আবার রাত্রে বেলায় হিন্দি সিনেমা দেখতাম। মানে যে সিনেমায় দেখি না কেনো, আমাদের পরিবারের সবাই মিলেই কিন্তু দেখতাম।

কিন্তু একটা সময় বাংলা সিনেমা বাসায় আসা বন্ধ হয়ে যায়। এটা কি আমার মনে ক্ষোভ তৈরি করেনি! অবশ্যই ক্ষোভ আছে। বাংলা চলচ্চিত্রের ধ্বসে কি আমার মধ্যে ক্ষত তৈরি হয়নি! আমি হয়তো কেউ না। মাত্র একটা সিনেমা তৈরি করেছি।

কিন্তু ‘রাজনীতি’ করার পর এফডিসিতে যখন গিয়েছি পরিচালক সমিতিসহ চলচ্চিত্র পরিবারের বড় ভাইয়েরা আমাকে জড়িয়ে ধরে বললেন, তুমি আমাদের মুখ রক্ষা করেছো। যখন সবাই আন্দোলন করছিলো ‘ভারতীয় নয়, দেশীয় চলচ্চিত্রের জয়’-এরকম যখন একটা মুভমেন্ট ছিলো, তখন কিন্তু নবাব ও বস-২ -এর বিপরীতে বিট করেছিলো রাজনীতি।

এর জন্য সবাই আমার প্রতি খুশি ছিলো। তারা তখন আমাকে বলেছিলো, তুমি আমাদের মান রক্ষা করেছো। দেশীয় ছবি দিয়ে নবাব ও বস-২কে বিট করেছো। কিন্তু এখন আমার প্রশ্ন হলো, আমি যাদের মান রক্ষা করেছি তারা আমার মানটা কই রক্ষা করলো? ‘রাজনীতি’ নির্মাণের পরে এক বছরের বেশি হয়ে গেল আরেকটা সিনেমার নাম ঘোষণা করতেই!

ইন্ডাস্ট্রি কোথায় নেমে গেছে, ভাবা যায়! শুন্য দশককে আমরা বাংলা চলচ্চিত্রের অন্ধকার যুগ বলছি, কিন্তু আমিতো বলি এখন বাংলা চলচ্চিত্রে শুন্য দশক চলছে। সিনেমা কই? নতুন সিনেমা তৈরি হচ্ছে? তবুওতো অশ্লীল সময়ে সিনেমা ব্যবসাটা রমরমা ছিলো! এখনতো না খেয়ে মরছি আমরা।

নতুন সিনেমা তৈরি না হওয়ার কারণ কী বলে মনে হয় আপনার?

এখনতো উদ্যোগটাই নাই। তারমধ্যে আমার নতুন মুখের সন্ধানে শুরু হচ্ছে। এটার মধ্য দিয়ে ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন তারকা আসবে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে নতুন তারকাদের নিয়ে কাজ করবে কারা? তাহলেতো আবার নির্মাতাদের নিয়েও নতুন মুখের সন্ধান করা লাগবে। নতুন প্রযোজকদেরও সন্ধান লাগবে।

না হলে তো নতুন সিনেমা তৈরি হবে না। তারকাদের কি অভাব পড়েছে আমাদের ইন্ডাস্ট্রির। যারা তারকা হয়ে বসে আছেন তাদের হাতেইতো কাজ নাই। শাকিব খান যেরকম সুপারস্টার, তার হাতেতো অন্তত বিশটা ছবি থাকার কথা ইনস্ট্যান্ট। কিন্তু তা কি আছে? সিনেমার জন্য যে দর্শক অপেক্ষা করবে থাকবে সেটা কোথায়? এটাতো হচ্ছে না।

আমার মনে হয় চলচ্চিত্রের এই দুঃসময়ে চলচ্চিত্র পরিবার একটা বিশাল ভূমিকা রাখতে পারতেন যে, পাঁচটা বড় বড় প্রযোজককে এক জায়গায় করতে পারতেন। যারা সিনেমার জন্য এক কোটি খরচ করতে পারছে না তারা ২০ লাখতো পারবে।

এরকম সমন্বয় করে মিলে মিশে সিনেমা তৈরি করা সম্ভব। এটা পরিবার চাইলেই পারে। সমস্ত শিল্পীদের বলেন, সিনেমার আগে কাউকে কোনো রিমুনারেশন দেয়া হবে না, ছবি মুক্তির পর রেভিন্যু যা আসবে সেখান থেকে আর্টিস্ট টাকা পাবেন।

পরিচালকদের বলেন, এমনিতেইতো সবাই বসে আছে। এভাবে সমন্বয় করে পাঁচটা সিনেমা করলেইতো সবার সাহসটা বেড়ে যায়। সমন্বয়টা দরকার। কিন্তু এমনটাতো হচ্ছে না। সবাই যার যার ব্যক্তিগত স্বার্থ নিয়ে আছি।

‘কাট পিছ’ নিয়ে আলোচনায় থাকি। এই ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন চিত্রনায়িকা পপি। কিন্তু তিনি নিজে যে ইমেজ নিয়ে নব্বই দশকে পা রেখেছিলেন সেটা অশ্লীল যুগে এসে ধরে রাখতে পারেননি। মানে তিনি নিজেও একাধিক অশ্লীল সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ‘কাট পিছ’-এ তাকে নেয়ার যুক্তি নিশ্চয় আছে আপনার?

এ প্রশ্নটার উত্তর আমি এভাবেই দেই, আসলে তখন এমন একটা অবস্থা ছিলো অনেক শিল্পীরা বুঝতে পাারে নি। তারা ভেবেছে, দিস ইজ দ্য অয়ে এবং আমাদের অনেক বড় বড় নায়কও একই দোষে দুষ্ট ছিলেন।

কারণ হলো, তারা ভেবেছিলো এভাবেই চলবে ইন্ডাস্ট্রি। সিনেমায় কাজ করতে হলে এভাবেই করতে হবে এরকমটা ভেবেই অনেকে অশ্লীল সিনেমা কাজ করেছে।

পপিকে নেয়ার প্রধান কারণ হলো, চলচ্চিত্রের অশ্লীল যুগের সময় থেকে আমার সিনেমার গল্পটা বর্তমান সময় পর্যন্ত বিস্তৃত। মানে একটা লম্বার জার্নির গল্প। গল্পে একজন কেন্দ্রীয় চরিত্র যিনি কিনা এক সময়ের সাড়া জাগানো আর্টিস্ট ছিলো।

কিন্তু ইন্ডাস্ট্রি তাকে ভুলে যায়। আর এই চরিত্রে পপিকে আমার পারফেক্ট চয়েস মনে হয়েছে। তিনি অসাধরণ একজন অভিনেত্রী, একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। তারমধ্যে আমার গল্পের চরিত্রেরও কিছু মিল আছে, আমার মনে হয়েছে পপির যে মেধা তাকে কতোটা মূল্যায়ণ আমরা করতে পারছি!

পপিকে এই চরিত্রে নেয়ার আগে আমি বলেছিলাম, আপনি যদি আমার সিনেমায় না থাকেন তাহলে এই সিনেমা আমি করবো না। সরাসরি তাকে বলেছি, দেখুন আপনি যদি এই সিনেমায় অভিনয় করতে রাজি থাকেন তাহলে আমি মুভ করবো।

‘কাট পিছ’-এ কেন্দ্রীয় চরিত্রে পপিকে চূড়ান্ত করেছেন নির্মাতা বুলবুল বিশ্বাস
পপি কি ‘কাট পিছ’-এর গল্প শুনেছেন? তার প্রতিক্রিয়া কী?

আমি তাকে সমস্তই বলেছি এবং তাকে এও বলেছি যে সেই সময়ের অনেক কিছুই হয়তো সিনেমায় সামনে চলে আসতে পারে। সেই ক্ষেত্রে আপনি কাজ করবেন কিনা? আমার প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছিলেন, আপনার কাজের প্রতি আমার ট্রাস্ট আছে।

আসলে পপিকে কেন্দ্রীয় চরিত্র ধরেই ‘কাট পিছ’ নির্মাণের পরিকল্পনা। লাস্যময়িতা, আবেদনময়ী বিষয়টা তার মধ্যে আছে, যেমনটা আমার চরিত্রটি ডিমান্ড করে।

আমার পোস্টারে খেয়াল করলে দেখবেন, পুরো বিষয়টাই তিনি অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। আমি অনেককে বলেছি, পপি ছাড়া ‘কাট পিছ’ ছবিটা করা সম্ভব না। মানে ছবির গল্পটা মাথায় আসতেই পপিকে এই চরিত্রের জন্য ভেবেছি।

‘কাট পিছ’ তাহলে কবে থেকে শুরু হচ্ছে?

এটা শুরু করতে একটু সময় নিচ্ছি। আগামি বছরের জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারির দিকে এই ছবির শুটি প্ল্যান করছি। তার আগে আরেকটা রানিং প্রজেক্ট হাতে আছে। গত এপ্রিলে একটি বেসরকারি টেলিভিশনে ছবিটি প্রযোজনা করার ঘোষণা দেয়।

সেই ছবির প্রাথমিক কাজ শেষ। শিগগির এই ছবির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর ‘কাট পিছ’-শুরু করবো। তার আগে পপি ছাড়া এই ছবিতে আর কারা কারা থাকছেন সে বিষয়টিও সবাইকে জানিয়ে দিবো।