Tuesday , 22 May 2018

আবারও বেতন বাড়ছে সরকারি চাকরিজীবীদের

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আবারও বেতন বাড়ছে সরকারি চাকরিজীবীদের। বেতন বৃদ্ধির বিষয়ে ইতোমধ্যে একটি প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা হয়েছে। শিগগিরই এটি মন্ত্রীপরিষদ সভায় তোলা হবে। জানা গেছে ডিসেম্বরের আগেই বেতন বাড়ানোর ঘোষণা আসতে পারে।







প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন থেকে মূল্যস্ফীতি ৫ শতাংশের বেশি হলেই সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়বে। বেতন বাড়ানোর জন্য বারবার পে-কমিশন গঠন না করে অর্থ মন্ত্রণালয়ে বিশেষ সেল গঠন করা হবে। আগামী বাজেট ঘোষণায় এ ব্যাপারে বিস্তারিত বলবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

সরকারি কর্মচারীদের ভবিষ্যৎ বেতন-ভাতা নির্ধারণ ও পরিবর্ধনের বিষয় পর্যালোচনা কমিটির আহ্বায়ক মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) এনএম জিয়াউল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতার বিষয়ে আমরা আমাদের প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছি। এটি শিগগিরই মন্ত্রিসভায় তোলা হবে। এর আগে অর্থ মন্ত্রণালয় প্রতিবেদনটি পর্যালোচনা করবে।







জানা গেছে, এখন থেকে প্রতি বছর বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়বে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা। মূল্যস্ফীতি বাড়লেই বাড়বে বেতন। তবে মূল্যস্ফীতি কমলে প্রভাব পড়বে না বাড়তি বেতন-ভাতায়।

এর আগে সর্বশেষ বেতন-ভাতা বাড়ানোর বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সারসংক্ষেপে অর্থমন্ত্রী নোটে লিখেছিলেন, এবারের বেতন-ভাতা নির্ধারণে লক্ষ্য ছিল এখন থেকে বেতন-ভাতা বাজারের সমতুল্য হবে।







এ জন্য ভবিষ্যতে ৫ বছর পরপর আর কমিশন নিয়োগ করতে হবে না। এখন থেকে একজন সিনিয়র কর্মকর্তাকে বেতন-ভাতার বিষয়ে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব দেওয়া হবে। সে অনুযায়ী অর্থ মন্ত্রণালয়ে একটি সেল গঠন করা হচ্ছে।

সর্বশেষ ২০১৫ সালে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানো হয়েছিল। তার আগে ২০০৯ সালে বাড়ানো হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী অন্তত পাঁচ বছর পর বেতন-ভাতা বাড়ানোর কথা থাকলেও এ বছর নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসায় আগাম প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা