Tuesday , 22 May 2018

বিয়ের টাকা জোগাড়ে প্রেমিকাকে ‘অপহরণ’!

ফরিদপুরের এক তরুণীর সাথে মোবাইলে মিসড কল থেকে পরিচয় হয় মহিউদ্দিন নামের ভোলার এক যুবকের। দূরাভাসেই ঘনিষ্ঠতা। সেখান থেকে গড়ে উঠে প্রেমের সম্পর্ক। আর মায়ার বাঁধনে দুজনেই সিদ্ধান্ত নেয় বিয়ে করার।
figure>






figure>






যে কথা সেই কাজ। তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেয় আজই বিয়ে করবে তারা। কিন্তু কিভাবে? দুজন যে দুই জেলার বাসিন্দা। ‘প্রেমে পড়লে মানুষ দুঃসাহসী হয়ে ওঠে, উপেক্ষা করতে পারে সব বাধাঁ’ পুরোনো সেই কথাকেই পরে বাস্তবে রুপ দিতে ফরিদপুর জেলার কোতয়ালি থানার আরিফা ও ভোলার মো: মহিউদ্দিন কাউকে না জানিয়ে চলে আসেন ঢাকা।
figure>






<<

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

figure>






নতুন জীবন শুরু করার বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে ভোলা থেকে মহিউদ্দিন ও ফরিদপুর থেকে আরিফা মঙ্গলবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা আসলে দুইজনে মোবাইলে যোগাযোগ করে আদাবর থানার শেখেরটেক ৬ নং এ মহিউদ্দিনের এক দুর সম্পর্কের আত্নীয়ের বাসায় ওঠে।
figure>






কিন্তু তখন একে অপরে জানতে পারেন কারো কাছেই বিয়ের খরচের টাকা নেই। পরে দুজনেই নানা ভাবে চেষ্টা করে বিয়ের খরচের টাকা জোগাড়ে ব্যর্থ হয়। কোন উপায়ন্তর না পেয়ে প্রেমিকার বাবার কাছ থেকেই টাকা নেওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
figure>






পরিকল্পনা অনুযায়ী মহিউদ্দিনের দুর সম্পর্কের আত্নীয়র মোবাইল নাম্বার থেকে ফোন দেওয়া হয় মেয়ের বাবাকে। বলা হয় আপনার মেয়েকে আমরা আটকে রেখেছি। আপনার মেয়েকে ফেরত পেতে চাইলে ২০ হাজার টাকা বিকাশ করেন। এসময় প্রেমিকার বাবাকে একটি বিকাশের এজেন্ট নাম্বারও দেওয়া হয়।
figure>






সন্দেহ হলে প্রেমিকার বাবা সাথে সাথে চলে যায় ফরিদপুর কোতয়ালি থানায়। পরে বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে শুরু করেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এএসএম নাসিম। একপর্যায়ে বিকাশের রেজিস্টেশন বের করে জানতে পারেন, বিকাশ নাম্বারটি রাজধানীর আদাবর থানার শেখেরটেক ৮ নাম্বারে একটি এজেন্টের নাম্বার।
figure>






ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

figure>






বিষয়টি আদাবর থানার ওসি শেখ শাহীনুর রহমানকে জানান কোতয়ালি থানার ওসি। তথ্য পেয়েই সঙ্গে সঙ্গে ওই বিকাশের দোকানের সামনে পুলিশের একটি সিভিল টিম গিয়ে প্রেমিকসহ দুইজনকে আটক, এবং মেয়েটাকেও উদ্ধার করে পুলিশ।
figure>






রাজধানীর আদাবর থানার ওসি শেখ শাহীনুর রহমান সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, কোতয়ালি থানা থেকে তথ্য পেয়েই পুলিশের একটি দল তাদেরকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। থানায় আনার পর জিজ্ঞাসাবাদে ছেলে-মেয়ে দুইজনেই জানায় যে, বিয়ের টাকা জোগাড়ে তারা এই ‘অপহরণ’ নাটকটা করেছে।
figure>