১২ বছর পর ডা. রফিকের লাশ উত্তোলন করা হলো যে কারণে

0
141

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে দাফনের ১২ বছর পর ডা. মো. রফিক আহমেদের (৫০) লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে আদালতের নির্দেশে হাজীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াউল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে মৃতদেহটি উত্তোলন করে পুলিশ।
২০০৬ সালের ২৩ জুন উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম কাজীরগাঁও গ্রামের দরগাহ বাড়ির মৃত আবদুল মতিনের ছেলে ডা. মো. রফিক আহমেদ ফজর নামাজের অজু করতে গিয়ে গিয়ে পানিতে পড়ে মারা যায়। মৃত্যুর ৯ বছর পর ২০১৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ডা. মো. রফিক আহমেদকে হত্যা করা হয়েছে মর্মে আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন তার ছোট ভাই ডা. মনির হোসেন।
মামলায় নিহতের আরেক ছোট ভাই শহিদ, চাচা ওয়াজেদ মিয়ার ২ ছেলে আনোয়ার হোসেন ও মো. হারুন, মামা শাহরাস্তি উপজেলার আবদুল মান্নানের ছেলে আ. মমিন, ৪ বোন নারগিস, জাহানারা, তাহমিনা, শামসুন্নাহারকে আসামি করা হয়।
আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে হাজীগঞ্জ থানায় তদন্তের জন্য প্রেরণ করেন। থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান পাটোয়ারী দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ২০ জানুয়ারি ডা. রফিক আহমেদ পানিতে ডুবে মারা গেছে মর্মে আদালতে রিপোর্ট দাখিল করেন।
মামলার বাদী ডা. মনির আহমেদ থানার তদন্তকৃত ফাইনাল রিপোর্টের উপর নারাজি এবং এ মামলাটি সিআইডিতে প্রেরণের জন্য আদালতে আবেদন করেন। আদালতের নির্দেশে ২০১৮ সালের ১৩ এপ্রিল মামলাটি সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়। সিআইডির চাঁদপুর পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম মামলাটি তদন্ত করছেন।
মঙ্গলবার মৃতদেহ উত্তোলনকালে সিআইডির পরিদর্শক (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, আদালতের নির্দেশে ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহে উত্তোলন করা হয়েছে। এটি চাঁদপুর সদর হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করা হবে। বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে মৃতদেহটির ময়নাতদন্ত আবশ্যক।