“রনবীরের একটা গোপন অসুখ আছে, জানতাম না বিয়ের আগে, জানলে…”

0
150

গোপন অসুখ আছে- বলা হয় বিয়ে হল জন্ম জন্মান্তরের বন্ধন, দুজনে দুজনের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়া। বিয়ে শুধু দুটি মনের মিলন নয়, দুটি পরিবারেরও মিলন। তাই বিয়ের সময় দুটি পরিবারের সামঞ্জস্যতা দেখা হয়। বিয়েতে যেমন দুটি মানুষের মধ্যে একটি সম্পর্ক তৈরি হয়, ঠিক তেমনই দুটি পরিবারের মধ্যেও একটি সম্পর্ক তৈরি হয়। বিয়ে হল দুজনে দুজনের সুখ দুঃখে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি।

“রনবীরের একটা গোপন অসুখ আছে, জানতাম না বিয়ের আগে, জানলে…”
এই রকমই এক নব দম্পতি রনবীর এবং দীপিকা। যাদের এখন সবাই মিলিত ভাবে দীপবীর বলেই ডাকছেন। গত বুধবার ১৪ই নভেম্বর ইতালিতে কোঙ্কনী মতে বিয়ে হয়েছে তাদের। তার পরের দিন ১৫ই নভেম্বর বৃহস্পতি বার সিন্ধি মতে বিয়ে সুসম্পন্ন হয়েছে।

“রনবীরের একটা গোপন অসুখ আছে, জানতাম না বিয়ের আগে, জানলে…”
ইতালির লেক কেমোর ভিল দ্য বালবিয়ানে তাদের বিয়ে হয়। বর্তমানে তারা বেঙ্গালুরুতেই আছেন। সেখানে একটি পার্টিও দিয়েছেন তারা।

“রনবীরের একটা গোপন অসুখ আছে, জানতাম না বিয়ের আগে, জানলে…”
শোনা গেছে যে আগামী ২৮শে নভেম্বর মুম্বাইয়ের দ্য গ্র্যান্ড হায়াতে তারা একটি পার্টির ঘোষণা করেছেন। সেখানে উপস্থিত থাকবেন ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সকল তারকারা। তাদের বন্ধু এবং সহকর্মীরা সকলেই থাকছেন। এখন তারা রয়েছেন নিজের বাড়ি পদ্মাবতীতে।

“রনবীরের একটা গোপন অসুখ আছে, জানতাম না বিয়ের আগে, জানলে…”
তবে জীবনের সব সময় সবার ভালো যায়না। কখনো যদি ভালো যায় ঠিক পরের মুহুর্তেই কিছু না কিছু খারাপ ঘটনা ঘটে। জীবনে নেমে আশে অন্ধকার। তাদের সাথেও অন্যথা হয়নি। বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই অসুখে পড়লেন রনবীর। সেই নিয়ে দীপিকা যথেষ্ট চিন্তায় আছেন বলে জানা গেছে।

“রনবীরের একটা গোপন অসুখ আছে, জানতাম না বিয়ের আগে, জানলে…”

রনবীর সিং ঠিক কি কারণে আসুস্থ তার সঠিক খবর পাওয়া যায়নি। তবে জানা গেছে শরীরে ভিটামিনের অভাবেই এই শারীরিক অসুস্থতা। এখনও বিয়ের সব অনুষ্ঠান শেষ হয়নি, তার মধ্যেই এরকম ভাবে অসুস্থ হয়ে পরলে চিন্তিত হওয়া স্বাভাবিক।

“রনবীরের একটা গোপন অসুখ আছে, জানতাম না বিয়ের আগে, জানলে…”

বাড়িতেই ডাক্তার এসে চিকিৎসা চালাচ্ছেন তার। লজ্জায় তারা একথা জানতে দেননি কাউকে এবং লোক জানাজানির ভয়ে হাসপাতালেও ভর্তি হননি রনবীর। বাড়িতে আত্মীয়দের ভিড়, এই অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া সম্ভব নয়।

“রনবীরের একটা গোপন অসুখ আছে, জানতাম না বিয়ের আগে, জানলে…”

রনবীরের এই গোপন অসুখের কথা জানতে পেরে দীপিকা চিন্তাগ্রস্থ হয়ে পরেছেন। চিন্তা থেকে মুক্তির জন্য দীপিকা তার বান্ধবীদের ফোন করে পরামর্শ চান। তারাও একথা শুনে অবাক হয় এবং বান্ধবীর জন্য তারাও চিন্তায় পড়ে যায়। বান্ধবীদের থেকেই এই খবর জানা গেছে। তবে তারা নিজেরা এখনও কিছু জানাননি। আমরা সকলে প্রার্থনা করি রনবীর খুব শীঘ্রই সুস্থ হয়ে উঠুক। নব দম্পতির জীবন আনন্দে ভরে উঠুক।

মাধুরীর সাথে শুটিঙের সময় নিজেকে সামলাতে না পেরে উত্তেজিত হয়েছিলেন বিনোদ খান্না…

বর্তমান সিনেমাগুলিতে ‘কিসিং’ এবং ‘অন্তরঙ্গ দৃশ্য’ খুবই সাধারণ হয়ে উঠেছে। এখন এমন কোনও সিনেমা নেই যেখানে এমন দৃশ্য দেখতে পাওয়া যায় না। কিন্তু যদি কথা আসে পুরানো সময়কার, তখন একটি ঘনিষ্ঠ দৃশ্য থাকা দূরের কথা, দৃশ্যটি শুট করাও কঠিন ছিল। আগে অভিনেত্রীরা এমন দৃশ্যের জন্য রাজি হতেন না। যদি রাজি হয়েও জেতেন, তারপর অভিনেতাকে নিয়ন্ত্রন করা শক্ত হয়ে পড়ত। আজ আমরা এমনই একটি গল্প আপনাদের বলবো।

আমরা একটি পুরনো সিনেমা ‘দয়াবান’ এর কথা বলতে চলেছি। মাধুরী দীক্ষিত ও বিনোদ খান্নার মধ্যে ‘চুম্বন দৃশ্য’ শুট করা হচ্ছিল। তখন এমন কিছু ঘটেছিল যা কেউ কল্পনা করতে পারেননি। বেশী চিন্তা না করে পুরো ঘটনাটি পড়ুন।

বিনোদ খান্না চলচ্চিত্র জগতের সেরা অভিনেতাদের মধ্যে একজন, গত বছর তিনি মারা যান। তার চলচ্চিত্রগুলি ভক্তদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। তিনি তার কর্মজীবনে ভক্তদের অনেক বড় চলচ্চিত্র উপহার দিয়েছেন। তাকে একটি চলচ্চিত্রের বোল্ড দৃশ্যের জন্য সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়েছিল।

বিনোদ খান্নার সাথে বিতর্কের সম্পর্ক ছিল অনেক পুরনো। কর্মজীবন ছেড়ে তিনি ওশোর ভক্ত হয়ে যান, নিজের চেয়ে ১৬ বছরের ছোট কবিতা নামে একটি মেয়েকে বিয়েও করেন। তিনি প্রায়ই খবরের শিরোনামে থাকতেন।

চলুন সেই চলচ্চিত্রটির কথা বলি যার বোল্ড দৃশ্যের শুটিঙের সময় ঝামেলার সৃষ্টি হয়েছিল। তারপর থেকে প্রায় সকল অভিনেত্রীই বিনোদের সাথে অন্তরঙ্গ দৃশ্য করতে ভয় পেতেন। এমনকি মাধুরী দিক্ষিত তার সঙ্গে এই দৃশ্য করার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন।

বিনোদ খান্না ও মাধুরী দীক্ষিত ‘দয়াবান’ নামে একটি চলচ্চিত্র করেছিলেন। এই ছবিতে একটি কিসিং দৃশ্য দুজনের মধ্যে চিত্রায়িত করা হয়েছিল। বিনোদ খান্না মাধুরীর থেকে ২০ বছরের বড়। সবাই ভেবেছিল যে মাধুরী এই দৃশ্য করা প্রত্যাখ্যান করবেন। কিন্তু তিনি রাজি হয়ে গিয়েছিলেন।

এক সাক্ষাৎকারে যখন অন্তরঙ্গ দৃশ্যের ব্যপারে মাধুরীকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তখন তিনি বলেন, ‘ধক ধক করনে লাগা গানটি শুট করা সহজ ছিল। কিন্তু বিনোদ খান্নার সাথে চুম্বন দৃশ্যটি করে আমি দুঃখিত।’ এই দৃশ্যের জন্য মাধুরীকে অনেক সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়েছিল।

অনেক রিপোর্টে বলা হয়েছে মাধুরীর সঙ্গে এই দৃশ্যটি শুট করার সময় বিনোদ অনিয়ন্ত্রিত হয়ে গিয়েছিলেন। পরিচালক কাট বলার পরও তিনি ‘কিস’ করেই যাচ্ছিলেন। মাধুরী তাতে প্রচণ্ড রেগে গিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তার ভুল হয়েছিল, তিনি এই দৃশ্যটি করার জন্য না করতে পারতেন।

যখন বিনোদ খান্না তার কর্মজীবনের উত্তম জায়গায় ছিলেন তখন তিনি ওশোর কাছে যাওয়ার ঠিক করেছিলেন। এটাও বলা হয় যে যদি বিনোদ সেখানে না যেতেন, তবে অভিনেতা হিসেবে তিনি অমিতাভ বচ্চনকে পিছনে ফেলে দিতেন।