কীভাবে ৬০ কেজি থেকে ৪৮ কেজি! গোপন রহস্য জানালেন স্বস্তিকা

0
93

৬০ কেজি থেকে ৪৮ কেজি- সেই ২০১৫ সালের ছবি ‘পারব না আমি ছাড়তে তোকে’। খুব মিষ্টি ‘বাবলি’ একজন অভিনেত্রীকে প্রথম ছবি থেকেই পছন্দ করেছিলেন সিনেমাপ্রেমী দর্শকরা। কিন্তু নিজের সেই ‘বাবলি’ ইমেজ একটু একটু করে সরিয়ে দিয়েছেন স্বস্তিকা এবং তার পিছনে রয়েছে কঠোর পরিশ্রম।

‘‘আগে ছিলাম ৬০ কেজি, এখন হয়েছি ৪৮ কেজি’’, হাসতে হাসতে জানালেন ‘ভজ গোবিন্দ’ নায়িকা। এমনকী ডালি-র প্রথমদিকের লুকেও কিন্তু একটু প্লাম্প বাবলি একটা আভাস ছিল। কিন্তু প্রস্তুতি তখন থেকেই নিয়েছিলেন নায়িকা। নিয়মিত ওয়র্কআউট তো করেন বটেই, কিন্তু ১২ কেজি ওজন কমাতে যেটা সবচেয়ে বেশি তাঁকে সাহায্য করেছে সেটা হল ডায়েট।

‘‘আমি একেবারেই লিকুইড ডায়েটের উপর ছিলাম। ফলের রস তো খেতামই, ডাল-ভাতও সব মিক্সিতে মিশিয়ে লিকুইড করে খেতাম। এখনও অনেকটাই সেই ডায়েটটা ফলো করি কিন্তু মাঝেমধ্যে সলিড খাই’’, বললেন স্বস্তিকা।

কিন্তু ওজন কমালেও, চেহারার মিষ্টি ভাবটা একটুও কমেনি বরং আরও বেশি ফোটোজেনিক হয়েছেন বলা যায়। কিন্তু এই ধরনের ডায়েট যে সবার পক্ষে আদর্শ হবে এমনটা কিন্তু নয়। স্বস্তিকা ওজন হ্রাসের এই পুরো প্রক্রিয়াটাই করেছেন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে।

তাই স্বস্তিকাকে দেখে যদি কেউ উৎসাহী হয়ে থাকেন, তবে ওজন কমাতে কীভাবে লিকুইড ডায়েট খাবেন, তার জন্য ডায়টেশিয়ানের পরামর্শ অবশ্যই নেবেন

স্বস্তিকা মুখার্জী ১৯৮০ সালের ১৩ ডিসেম্বর কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকে তিনি তার পিতা শন্তু মুখার্জীর সাথে সাদাসিধেভাবে জীবন যাপন করছেন, সাথে আরও রয়েছেন তার ছোট বোন “অজপা” এবং তার মা “গোপা”। তার প্রিয় চলচ্চিত্র ছিল “চিটঠি চিটঠি ব্যাং ব্যাং”, “মেরী পপিনস” এবং “দ্যা সাউন্ড অব মিউজিক”।

তিনি তার শিক্ষা জীবন কলকাতার কারমেল স্কুল, “সেন্ট তেরেসা স্কুল” এবং “গোখেল মেমরিয়াল স্কুল” থেকে শুরু করেছিলেন। ১৯৯৮ সালে ১৮ বছর বয়সে তিনি বিখ্যাত রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী সাগর সেনের পুত্র প্রমিত সেনের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

কিন্তু তাদের বিবাহিত জীবন সুখী ছিলনা। তাদের দম্পতি জীবন পৃথক হওয়ার আগে মাত্র দুই বছর স্থায়ী ছিল। তিনি তার স্বামীর বিরুদ্ধে শারীরিক অপব্যবহার এবং গর্ভবতী অবস্থায় তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন (এটা অবশ্য পরে বরখাস্ত করা হয়)।

মুখার্জীর ভাষ্যমতে, সেনের সাথে ২০০০ সালে বিবাহবিচ্ছেদের জন্য মামলা দায়ের করেন, কিন্তু পরবর্তীতে তার মন পরিবর্তন হয় এবং তিনি অভিনয়ে সফল হয়ে ওঠেন। তাঁর বিবাহিত জীবন থেকে এক মেয়ে অন্বেষা ২০০০ সালে জন্মগ্রহণ করেন।

২০০১ সালে মুখার্জি আনন্দ শঙ্কর সেন্টারে “কালচার লার্নিং ড্যান্স”-এ ভর্তি হন, যেখানে তিনি তনুশ্রী শংকরের কাছে থেকে নৃত্যর তালিম নেন। তিনি তখন জিতের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে গিয়েছিলেন কিন্তু কোয়েল মল্লিকের কারণে তার তা বেশিদিন টিকে থাকেনী।

পরবর্তীতে তিনি পরমব্রত চট্রোপাধ্যায়ের সাথে “ব্রেক ফেল”-এর শ্যুটিং সেটে তার সাথে সম্পর্ক শুরু করেন। কিন্তু তিনি সেই সময়কার প্রথিত নিয়ম অনুযায়ী প্রমিত সেনের বিবাহিত স্ত্রী ছিলেন। ২০১০ সালে তারা আলাদা হওয়ার পর স্বস্তিকা লন্ডন চলে যান

অভিনয় জীবন

যখন তিনি ইতিহাসে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক স্তরে পাঠরত ছিলেন তখন থেকে টিভি সিরিয়াল দেবদাসীতে অভিনয় করার সুযোগ পান। এরপন তিনি অন্যান্য টিভি সিরিয়ালেও অভিনয় করেন; যেমন আকাশের নীচে এবং প্রতিবিম্ভ।

২০০৩ সালে তিনি তার বড় পর্দায় উর্মী চক্রবর্তীর পরিচালনায় “হেমন্তের পাখি” নামক ছবির মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করেন। যদিও তিনি ছোট একটি চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। তার অভিনীত প্রথম প্রধান চরিত্র হল রবি কিনাগী পরিচালিত “মাস্তান”।

মাস্তান ছবির চিত্রগ্রহণ চলাকালীন সময়ে তিনি তার সহকারী তারকা জিতের সঙ্গে প্রণয় সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে অভিযোগ ওঠে। তারা একসঙ্গে বেশ কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করেছেন;

যেমনঃ ক্রান্তি, কৃষ্ণকান্তের উইল এবং পার্টনার। মুখার্জি বর্তমানে বাই বাই ব্যাংকক চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। এছাড়াও তিনি হিন্দি চলচ্চিত্রে মুম্বাই কাটিং-এ অভিনয়ের মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন।

আবারও বিয়ের পিঁড়িতে হৃতিক রোশন, পাত্রী কে জানলে সত্যি অবাক হবেন

সবাইকে অবাক করে দিয়ে প্রাক্তন স্ত্রী সুজান খানের সঙ্গে পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে চলেছেন বলিউড সুপারস্টার হৃতিক রোশন। ২০১৪ সালে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে তারপর কঙ্গনা রানাউতসহ আরও বেশ কয়েকজন অভিনেত্রীর সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন শোনা গেছে হৃতিক কে ঘিরে।

হৃতিকের ঘনিষ্ঠ বন্ধু অর্জুন রামপালের সঙ্গে জড়িয়েছে তার স্ত্রী সুজানের নাম। এই কথা শোনা গেছে, সন্তানদের কথা ভেবেই আবারও নাকি এক হচ্ছেন হৃত্বিক ও সুজান।অবশেষে এই কথার সত্যতার প্রমাণ পাওয়া গেল। আবারও নাকি বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন হৃতিক-সুজান।

সংসার জীবনের ১৩ বছর কাটানোর পর ২০১৪ সালে বিবাহিত জীবনের ইতি টানেন হৃত্বিক রোশন আর সুজান খান। নিজেদের মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় আলাদা হয়ে জীবন কাটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তারা।

কিন্তু অন্যান্য দম্পতিদের মতো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভেঙে যাওয়া দাম্পত্য ক্রমশ ফিকে হয়ে যায় নি। তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব বজায় ছিল। আর সেই বন্ধুত্ব ফের কাছে নিয়ে এলো দুজনকে।

দুই পুত্র রেহান ও হৃধান যেন বাবা-মা’র স্নেহ থেকে বঞ্চিত না হন সে ব্যাপারে সচেতন ছিলেন দু’জনেই। দুই ছেলের সঙ্গে সময় কাটাতে তাই মাঝে মাধ্যেই একত্রে দেখা যেত হৃত্বিক-সুজানকে।