ডায়াবেটিস রোগীদের খাওয়া উচিৎ নয় যেসব ‘স্বাস্থ্যকর’ খাবার

0
20

ডায়াবেটিস রোগীদের খাওয়া- ডায়াবেটিস রোগী যত্রতত্রই দেখা যায় বর্তমানে। রোগটি একদিক দিয়ে যেমন ক্ষতিকর, অন্যদিকে তা নিয়ন্ত্রণ করা গেলে সুস্থ মানুষের মতোই জীবনযাপন করা সম্ভব। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের বড় একটি অংশ হলো খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ। অনেক খাবার সুস্থ মানুষ ইচ্ছেমতো খেতে পারলেও ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য তা নিষিদ্ধ। বিশেষ করে মিষ্টি খাবার, জাংক ফুড এবং ট্রান্স ফ্যাটযুক্ত খাবার থেকে ডায়াবেটিস রোগীদের দূরে থাকা উচিৎ। এমন কিছু খাবার আছে যা সুস্থ মানুষের জন্য ‘স্বাস্থ্যকর’ হলেও ডায়াবেটিস রোগীদের খাওয়া উচিৎ নয়। এগুলো হলো-







১) কিসমিস

কিসমিস এবং অন্যান্য ড্রাই ফ্রুটে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি চিনি থাকে। যেমন এক কাপ আঙুরে থাকে ২৭ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, অন্যদিকে এক কাপ কিসমিসে থাকে ১১৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট। ফলে কিসমিস এবং ড্রাই ফ্রুট এড়িয়ে চলা উচিৎ।







ডায়াবেটিস রোগীদের খাওয়া উচিৎ নয় যেসব ‘স্বাস্থ্যকর’ খাবার

তরমুজে চিনির পরিমাণ বেশি। ছবি: সংগৃহীত







২) তরমুজ

তরমুজে বেশি পরিমানে পানি এবং ফাইবার থাকায় তাকে স্বাস্থ্যকর বলেই ধরা হয়। কিন্তু এতে চিনির পরিমাণ অনেক বেশি, এ কারণে ডায়াবেটিস রোগীদের তা খাওয়া উচিৎ নয়। খেলেও পরিমাণের দিকে নজর রাখা উচিৎ।

৩) আলু







আলু ছাড়া তরকারি রান্নার কথা অনেকে ভাবতেও পারেন না। আলুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, ফাইবার, ভিটামিন ই, কপার, ট্রিপ্টোফ্যান, ম্যাঙ্গানিজ এবং লুটেইন। কিন্তু ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য তা ভালো নয় কারণ এতে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ অনেক বেশি।

৪) আম







আমের মৌসুমে সব বাড়িতেই তা খাওয়া হয় নিয়মিত। কিন্তু এতেও অনেক বেশি পরিমাণে চিনি থাকে, ফলে ডায়াবেটিস রোগীদের আম না খাওয়াই ভালো।

৫) সফেদা







দেশী ফল সফেদা কেউ পছন্দ করেন, কেউ করেন না। কিন্তু ডায়াবেটিস রোগীদের সফেদা না খাওয়াই ভালো, কারণ এতে চিনির পরিমাণ অন্যান্য ফলের তুলনায় বেশি।

ডায়াবেটিস রোগীদের খাওয়া উচিৎ নয় যেসব ‘স্বাস্থ্যকর’ খাবার

লো ফ্যাট মিল্ক পান করুন। ছবি: সংগৃহীত







৬) পূর্ণ ননীযুক্ত দুধ

দুধকে আদর্শ খাবার বলে অভিহিত করেন সবাই, কারণ এর পুষ্টিগুণ অনেক। তবে ডায়াবেটিস থাকলে দুধ পান করার ব্যাপারে সাবধান থাকা উচিৎ। কারণ পূর্ণ ননীযুক্ত দুধে বেশি স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। তা রোগীর স্বাস্থ্য আরও খারাপ করে দিতে পারে। এর বদলে লো ফ্যাটা বা স্কিমড দুধ পান করুন।







৭) ফলের জুস

জুস বা ফলের রসের বদলে আস্ত ফল খান। প্যাকেটজাত ফলের রসে অতিরিক্ত চিনি থাকে যা দ্রুতই ব্লাড সুগার বাড়িয়ে দিতে পারে।