পরামর্শ বাসি ভাত খেলে শারীরিক যেসব সমস্যা ভালো হয়… স্টাফ রিপোর্টা

0
110

বাসি ভাত খেলে- ভাত আমাদের প্রধান খাদ্য। তবে ভাত বাসি হলেই খাওয়ার ইচ্ছে হারান বেশিরভাগ মানুষ ৷ রাতের বাসি ভাতের বেশিরভাগ সময়ই ঠাঁই হয় ডাস্টবিন বা রাস্তার কুকুর বিড়ালের পাতে৷ কিন্তু বাসি ভাতের মধ্যে এমন কিছু গুণ রয়েছে যা বহু শারীরিক সমস্যা মেটাতে সক্ষম।

ব্রেকফার্স্টের টেবিলে আপন করে নিন বাসি ভাতকে ৷ কারণ পুষ্টিবিদরা জানাচ্ছেন, ভাতের মতো বাসি ভাতেও রয়েছে অনেক খাদ্য গুণ।

তাদের মতে বাসি ভাত খেলে অনেকসময় মিটে যায় আলসারের সমস্যা। সপ্তাহে তিন দিন বাসি ভাত খেলেই মুক্তি পেতে পারেন আলসারের মতো পেটের সমস্যা থেকে। আসলে বাসি ভাতে থাকা খাদ্যগুণ পেটের ঘা ও জ্বালা কমিয়ে দেয়।

সকালবেলা ব্রেকফার্স্টে বাসি ভাত খেলে দূর হয়ে যাবে গ্যাসের সমস্যা ৷ ডায়েটিশিয়ানরা বলেন, আমরা সারাদিন যাই খাই না কেন, সকালের প্রথম খাবারটি সবসময় ভারি হওয়া উচিত।

পাউরুটি বা কর্নফ্লেক্সের থেকে ভাত পুষ্টিগুণে অনেকটাই এগিয়ে, তাই ব্রেকফার্স্টে ভাত খেলে বহুক্ষণ পেট ভর্তি থাকে। ফলে গ্যাসের সমস্যা থেকে রেহাই মেলে।

কোষ্ঠকাঠিন্যের অব্যর্থ ওষুধ বাসি ভাত। ভাত যেমন হজম করা সহজ, তেমনই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেও সাহায্য করে ভাত। এতে থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাকে দূরে রাখে।

এছাড়া সকালের খাবারের তালিকায় বাসি ভাত আসলে শরীরে যোগান দেয় পর্যাপ্ত পরিমাণ এনার্জি ৷ ভাতে থাকা প্রোটিন, সোডিয়াম ও কার্বোহাইড্রেট শরীরে পুষ্টিগুণ যোগায়।

আগেকার দিনে বহু বাড়িতেই সকালের টিফিনে আগের দিনের বাসি ভাত খাওয়ার প্রচলন ছিল। এমনকি নিম্নমধ্যবিত্ত বহু পরিবারে সকালে বাসি ভাত খাওয়ার প্রথা এখনও রয়েছে। যদিও পুষ্টিগুণের থেকেও বহুক্ষণ পেট ভর্তি থাকার কারণেই এই সব পরিবারের কাছে বাসি ভাত সকালের মেনুতে সবচেয়ে পছন্দের।

পুরোনো টুথব্রাশও ফেলনা নয়, দেখে নিন এর নানা ব্যবহার

স্বাস্থ্যগত কারণে প্রতি তিন মাস পরপরই নতুন টুথব্রাশ কিনি। তবে পুরানো সেই টুথব্রাশটি কিন্তু ফেলনা নয়। এই ব্রাশটি ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র পরিপাটিতে ব্যবহার করতে পারবেন। তাহলে জেনে নেওয়া পুরানো ব্রাশটি কোন কাজ ব্যবহার করা যায়

নিজের উড়ে যাওয়া চুলকে সামলাতে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন? তাহলে টুথব্রাশের উপর হেয়ার স্প্রে লাগিয়ে নিজের চুলের সমস্যা আক্রান্ত জায়গায় ব্রাশ করুন।

ঘনঘন নেলপলিশ লাগালে আপনার নখ হলুদ হয়ে যায়। নখের হলুদ ভাব কমানোর জন্য লেবুর রস এবং বেকিং সোডার একটি মিশ্রণ তৈরি করে ব্রাশ দিয়ে নিজের নখে লাগিয়ে নেবেন। ১৫ মিনিট পর ঠাণ্ডা জল দিয়ে ধুয়ে নেবেন। নখের সতেজ ও পরিষ্কার ভাবটি ফিরে আসবে।

অনেক সময় রান্নাঘরের ভেতরের কিছু কোনা থাকে যেখানে আপনার হাত পৌছায় না। এই ক্ষেত্রে টুথব্রাশ অনেক কার্যকর। হালকা সাবান লাগিয়ে ব্রাশ দিয়ে সেইসব জায়গা পরিষ্কার করতে পারেন।

চুল উঠে যাচ্ছে? টেনশন না করে টুথব্রাশে টি ট্রি অয়েল লাগিয়ে যে জায়গার চুল যায় সে জায়গায় ঘষুন। চুল গজাতে সহায়তা করবে।

নেইল আর্ট করার জন্য আপনি টুথব্রাশ ব্যবহার করতে পারেন। তবে নেইল আর্ট করার আগে নিজের আঙুলগুলো ঢেকে নিবেন।

ঠোঁট ফেটে গেলে বাচ্চাদের একটি টুথব্রাশে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে আলতো করে নিজের ঠোঁটে বুলিয়ে দিন। ঠোঁট নরম লাগবে।

জুতার নিচের রাবারের অংশটি নোংরা হয়ে গেলে সাদা টুথপেস্ট নিয়ে টুথব্রাশে লাগিয়ে দাঁত মাজার মতো করে মেজে নিন। জুতা হয়ে যাবে ফকফকা সাদা।

আরো অনেক কাজেই প্রয়োজন মতে তৎক্ষণাৎ বুদ্ধি খাটিয়ে পুরানো ব্রাশ ব্যবহার করা যেতে পারে।

জানেন মেয়েরা ছেলেদের দেখলে প্রথমে কোথায় নজর দেয়?

মেয়েরা ছেলেদের দেখলে- প্রথম দর্শন হয়তো কয়েক মুহূর্তের ঘটনা, কিন্তু এতেই নির্ধারিত হয়ে যেতে পারে সম্পর্কের গতিপথ। তাই একজন পুরুষ যদি জানেন যে, নারীরা পুরুষের ঠিক কোন বিষয়গুলো প্রথম দর্শনেই লক্ষ করেন, তা হলে সে বিষয়ে সচেতন থাকতে পারেন তিনি।

অনেক নারীই প্রথম দেখার কয়েক মিনিটেই একজন পুরুষকে মেপে ফেলার চেষ্টা করেন। দর্শনদারির ভিত্তিতেই এই মাপামাপি।

উচ্চতা, ওজন এবং সামগ্রিক শারীরিক আকর্ষণীয়তার পাশাপাশি পুরুষের হাসি, রসবোধ ও আত্মবিশ্বাস লক্ষ করেন নারী। পুরুষের মনোদৈহিক যে ছয়টি বিষয় নারীরা প্রথম দেখাতেই লক্ষ করেন,

সেগুলো হল-

শারীরিক আকৃতি: নারী প্রথমেই যা কিছু খেয়াল করেন সে তালিকার প্রথমদিকেই আছে উচ্চতা এবং ওজন। কোনো পুরুষ খুব বেশি লম্বা, মোটা বা খাটো হলে তাঁর এই শারীরিক গঠনের কারণে শুরুতেই তাঁর বিষয়ে একটা সিদ্ধান্তে চলে আসতে পারেন কোনো কোনো নারী।

ফলে তাঁর অন্য মানবিক গুণাবলি লক্ষ করার বিষয়ে আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারেন একজন নারী। অবশ্য নারী তাঁর নিজের উচ্চতা এবং ওজনের নিরিখেই পুরুষের এই শারীরিক বৈশিষ্ট্যের গ্রহণযোগ্যতা বিচার করেন।

আকর্ষণী ক্ষমতা: চেহারার সৌন্দর্য হচ্ছে সেই গুণের নাম যা জন্মসূত্রে পাওয়া। কিন্তু কেবল সুন্দর হলেই তো হবে না। একজন পুরুষ নিজের কতটা যত আত্তি করেন, সেটা খেয়াল করেন নারী। চুল, নখ থেকে শুরু করে কাপড়চোপড় এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় রাখেন নারীরা।

একজন পুরুষ যদি নিজের এইটুকু দেখভাল করতে না পারেন, তা হলে তাঁর অন্য গুণাবলি খুঁজে দেখার জন্য খুব একটা কষ্ট করতে রাজি হবেন না নারী। নিজেকে উপস্থাপনের শিল্পেই আকর্ষণী ক্ষমতা দেখানোর সুযোগ পেতে পারেন একজন পুরুষ।

মুখের হাসি: একনজরে দেখে নিয়ে মেপে ফেলার পর পুরুষের মুখের হাসি দেখার অপেক্ষায় থাকেন নারী। হাসবার ক্ষমতা, বিশেষত দেখা হওয়ার প্রথম কয়েক মিনিটের মধ্যেই পুরুষের হাসি নারীর কাছে একটা স্বাগত বার্তার মতো।

অবশ্য হাসবার আগে মাথায় রাখতে হবে নিজের দাঁতের কথাও। অপরিচ্ছন্ন দাঁত নিয়ে কোনো নারীর সামনে হাসলে লাভের চেয়ে লোকসানই বেশি হবে। আর দাঁতের অন্য কোনো সমস্যা থাকলেও সেটা সারাতে দন্ত্য চিকিত্সকের কাছে ঘুরে আসাই ভালো।