গরম দুধের সঙ্গে এক চামচ মধু রোজ খান! … তারপরই ম্যাজিক!

    0
    112

    কর্মব্যস্ত আপনি। নিজের দিকে তাকানোর সময় পান না। কিন্তু এতকিছুর মাঝে শরীরটা তো ঠিক রাখতে হবে। তাই রোজ খান দুধ-মধু। রাতে শুতে যাওয়ার ঠিক…







    কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ঘরোয়া ডায়েট চার্ট
    পেঁয়াজের রস কীভাবে মাথায় ব্যবহার করবেন? মাথায় নতুন চুল গজাতে?
    হজম সমস্যা সমাধানের ঘরোয়া উপায়
    কর্মব্যস্ত আপনি। নিজের দিকে তাকানোর সময় পান না। কিন্তু এতকিছুর মাঝে শরীরটা তো ঠিক রাখতে হবে। তাই রোজ খান দুধ-মধু।







    রাতে শুতে যাওয়ার ঠিক আগে একগ্লাস গরম দুধে এক চামচ মধু ফিরিয়ে দেবে আপনার হারিয়ে যাওয়া রূপ, লাবণ্য, সুস্বাস্থ্য। বিশেষজ্ঞদের মত, এই দুটি প্রাকৃতিক উপাদানের অনেক গুণ। কী কী জেনে নিন –
    ত্বকের যত্ন – ত্বককে ভিতর থেকে পরিষ্কার করে দুধ, মধু। দুটি একসঙ্গে মিশিয়ে খেলে দ্বিগুণ উপকার। ত্বককে ভিতর থেকে উজ্জ্বল করে তোলে।
    হজমে সহায়ক – প্রিবায়োটিক উপাদানের উৎপাদক হিসেবে প্রসিদ্ধ মধু। শরীরের অন্ত্রে প্রিবায়োটিকের উৎপাদন বাড়িয়ে হজমশক্তির বদ্ধি ঘটায়। অন্যদিকে বিফিডোব্যাক্টেরিয়া নামক প্রোবায়োটিক পাওয়া যায় দুধে। এই প্রোবায়োটিক অন্ত্রে প্রিবায়োটিক উৎপাদনে সাহায্য করে ও হজমশক্তি বাড়ায়। কনস্টিপেশন, ক্র্যাম্প, ব্রোটিংয়ের মতো সমস্যার হাত থেকেও রেহাই দেয়।







    স্ট্যামিনা – বিভিন্ন পরীক্ষা বলে, রোজ এক গ্লাস দুধ-মধু খেলে শরীরে যে শক্তি সঞ্চারিত হয়, তা নাকি আর কোনও কিছু থেকে পাওয়া যায় না। দুধে আছে প্রোটিন, যা শক্তি বাড়ায়। মধুতে অপস্থিত প্রয়োজনীয় কার্বোহাইড্রেট হজমে সাহায্যে করে। বাচ্চা হোক বা বয়স্ক, সকলের শরীরে শক্তি সঞ্চারিত করতে দুধ- মধুর জুড়ি মেলা ভার।







    হাড়ের স্বাস্থ্য – দুধ-মধুতে প্রচুর ক্যালশিয়াম। ফলে আমাদের শরীরে হাড় শক্ত করতে সাহায্য করে। ছোটো বাচ্চাদের নিয়মিত দুধ-মধু খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। ৩০ ঊর্ধ্ব মহিলাদেরও খেতে বলেন।
    ইনসমনিয়ার চিকিৎসায় – অনেকের রাতে ভালো ঘুম আসে না। প্রাচীন যুগ থেকে সেই সমস্যার মোকাবিলা করতে সাহায্য করে এসেছে দুধ-মধু। এর মিশ্রণ শরীরকে শিথিল করে দু’চোখের পাতায় ঘুম এনে দেয়।
    বার্ধক্য রোধে কার্যকরী – শুধু ত্বকের দিক থেকেই নয়, সারা শরীরে অফুরান শক্তি সঞ্চারিত করে দুধ-মধু। শরীরকে সবসময় তরুণ-তরতাজা করে রাখে।