Tuesday , 22 May 2018

বাবু সোনা হত্যা এবং হাসপাতালের প্রিজন সেলে আসামির মৃত্যু! অতঃপর…

বাবু সোনা হত্যা- রংপুরের বিশেষ জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রথীশ চন্দ্র ভৌমিক বাবু সোনা হত্যা মামলার আসামি ও বাবু সোনার ব্যক্তিগত সহকারী মিলন মোহন্ত (৩০) মারা গেছেন।







ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন







শুক্রবার রাত ৯টায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

বাবু সোনা হত্যা এবং হাসপাতালের প্রিজন সেলে আসামির মৃত্যু! অতঃপর…

রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আমজাদ হোসেন ডন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মিলন মোহন্তকে গত ৫ এপ্রিল রাতে কারাগারে নিয়ে আসা হয়। ওই সময় তার শারীরিক অবস্থা সঙ্কটাপন্ন ছিল।

এ কারণে ওইদিনই তাকে চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেলে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন থেকে শুক্রবার রাতে মারা যান তিনি।

বাবু সোনা হত্যা এবং হাসপাতালের প্রিজন সেলে আসামির মৃত্যু! অতঃপর…

গত ৩০ মার্চ বাবু সোনা নিখোঁজের বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর মিলনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে বাবু সোনার স্ত্রী দীপা ও কামরুলের পরকীয়া প্রেম এবং তারাই বাবু সোনাকে হত্যা করে বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেন মিলন।
বাবু সোনা হত্যা: স্ত্রী জেল হাজতে, কামরুল ১০দিনের রিমান্ডে







ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন







অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আরিফা ইয়াসমিন মুক্তার আদালতের কার্যক্রম বৃহস্পতিবার গভীর রাত পর্যন্ত চলমান ছিল।

রংপুর স্পেশাল জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) রথীশ চন্দ্র ভৌমিক বাবুসোনার স্ত্রী স্নিগ্ধা সরকার ভৌমিক দীপা ও মামলার অপর ২ কিশোর আসামি তাজহাট উচ্চবিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্র সবুজ ইসলাম ও রোকুজ্জামানের ১৬৪ ধারা জবানবন্দীর পর শুক্রবার ভোরেই তাদের জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আসামি কামরুলকে ১০দিনের রিমান্ডে কোতোয়ালি থানায় নেয়া হয়েছে। অ্যাডভোকেট বাবু সোনা হত্যা ঘটনা নতুন মোড় নিয়েছে। দুধভাতের সাথে ঘুমের বড়ি গুড়া করে খাওয়ানোর পর তাকে অচেতন করে গলায় ওড়না পেচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার যে কাহিনী উপস্থাপন করা হয়েছিল রংপুর মেডিকেল কলেজের ফরেন্সিক বিভাগের চিকিৎসক ময়নাতদন্ত শেষে মিডিয়ার সামনে দেয়া ভাষ্যমতে তা সঠিক নয়।

কারণ মৃত বাবুসোনার শরীরের বিভিন্নস্থানে জখমের চিহ্নি ছিল এবং পায়ে মোজা জুতা ও পরনে প্যান্ট এবং শার্টি ছিল। প্যান্ট শার্ট জুতা মোজা পড়ে রাতে খাওয়া পর ঘুমানোর ব্যাপারটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক কি-না এ নিয়ে নানা মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।













অ্যাডভোকেট বাবু সোনার মেয়ে অরিত্রি ভৌমিককে বৃহস্পতিবার রাতেই ছেড়ে দেয়া হয়েছে। র‌্যাব মামলার ধৃত আসামি জব্দ তালিকা সুরাতহাল রিপোর্টসহ মামলার সকল দায়িত্ব বৃহস্পতিবার তদন্তকারী এসআই আলামিনের হাতে দিয়েছে। মামলা গ্রহণের পর মামলার আসামিদের আদালতে নেয়া হয় এবং ১৬৪ ধারা করানোর পর উপরোক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এদিকে মামলার অপর আসামি অ্যাডভোকেট বাবু সোনার সহকারী মিলন মোহন্ত জেল হাজতে রয়েছে। মামলার তদন্তকারী এসআই আলামিনের সাথে শুক্রবার বিকেলে আলোচনা কালে তিনি তদন্তের স্বার্থে এ মুহুর্তে কোন তথ্য দিতে অস্বীকৃত জানান।

তবে আদালতে ১৬৪ ধারা ও অন্যান্য আসামিদের বর্তমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তাকে মৃত বাবু সোনার গায়ে আঘাতের চিহ্ন এবং পরনের কাপড় সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে কোন তথ্য জানাতে অস্বীকার করেন।